Indian Fishermen returns from Bangladesh: বাংলাদেশের জেলে থাকা ৪৭ জন মৎস্যজীবী ফিরলেন ভারতে, ফেরত পাঠানো হল ৩২ বাংলাদেশি

‘এফবি মা মঙ্গলচণ্ডী-৩৮’, ‘এফবি ঝড়’ এবং ‘এফবি পারমিতা’ নামক তিনটি ট্রলার ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই তিন ট্রলারে থাকা ৪৮ জন ভারতীয়র মধ্যে ১ জনের মৃত্যু হয় বিচারাধীন অবস্থায়। বাকি ৪৭ জন আজ ফিরে আসেন ভারতে।

Published on: Dec 09, 2025 2:18 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলাদেশের জেলে থাকা ৪৭ জন মৎস্যজীবী ফিরলেন দেশে। এদিকে ভারতের জেলে থাকা ৩৭ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে ফেরানো হল তাদের দেশে। মৎস্যজীবীদের দু’দেশের উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতে প্রত্যর্পণ করা হয়। দু’দেশের হাইকমিশনের আলোচনার ভিত্তিতে এই বন্দিদের নিজেদের দেশে ফেরানো হয়। এদিকে ‘এফবি মা মঙ্গলচণ্ডী-৩৮’, ‘এফবি ঝড়’ এবং ‘এফবি পারমিতা’ নামক তিনটি ট্রলারও ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই তিন ট্রলারে থাকা ৪৮ জন ভারতীয়র মধ্যে ১ জনের মৃত্যু হয় বিচারাধীন অবস্থায়। বাকি ৪৭ জন আজ ফিরে আসেন ভারতে।

‘এফবি মা মঙ্গলচণ্ডী-৩৮’, ‘এফবি ঝড়’ এবং ‘এফবি পারমিতা’ নামক তিনটি ট্রলারও ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।  (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)
‘এফবি মা মঙ্গলচণ্ডী-৩৮’, ‘এফবি ঝড়’ এবং ‘এফবি পারমিতা’ নামক তিনটি ট্রলারও ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

এদিকে মৃত মৎস্যজীবীর নাম বাবুল দাস। হারউড পয়েন্ট কোস্টাল থানার রামকৃষ্ণ গ্রাম পঞ্চায়েতের পশ্চিম গঙ্গাধরপুরের বাসিন্দা বাবুল জন্মগতভাবে মূক ও বধির ছিলেন। জুলাই মাসে ‘এফবি মঙ্গলচণ্ডী-৩৮’ ট্রলারে চেপে বঙ্গোপসাগরের দিকে রওনা দিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় ভুলবশত আন্তর্জাতিক জলসীমা অতিক্রম করায় বাবুল-সহ মোট ৩৪ জন ভারতীয় মৎস্যজীবীকে বাংলাদেশের নৌসেনা আটক করে। ১৫ জুলাই মংলা বন্দরের কাছে তাঁদের গ্রেফতার করা হয় এবং মংলা থানায় মামলা হয়। পরে বাগেরহাট আদালতের নির্দেশে সবাইকে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। সেই থেকে বাবুল বাংলাদেশের জেলেই বন্দি ছিলেন।

পরে নভেম্বর পরিবারের কাছে বাংলাদেশ থেকে খবর আসে, জেলে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে বাবুলের। খবর পাওয়ার পর থেকেই কান্নায় ভেঙে পড়ে তাঁর পরিবার। গোটা এলাকাতেই নেমে আসে শোকের ছায়া। কিন্তু পরিবারের অভিযোগ, বাবুল একদমই সুস্থ ছিলেন, কোনও শারীরিক অসুখ ছিল না। তাঁর ভাই বাসুদেব দাস জানান, দাদা মূক-বধির হলেও শারীরিকভাবে সবল ছিল। ওর মৃত্যুর খবর শুনে সন্দেহ হয়। তিনি মনে করেন, জেলের ভিতরে অত্যাচার করে দাদাকে মেরে ফেলা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, এটি নিছক দুর্ঘটনা বা অসুস্থতার মৃত্যু নয় পরিকল্পিত খুন।