Abhijit Ganguly Latest Update: তৃণমূলকে কি হারাতে চায় বিজেপি? অভিজিতের মন্তব্যের ব্যাখ্যা চাইতে পারেন শমীক
শুক্রবার বঙ্গ বিজেপি কোর কমিটি বৈঠক করেছে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে। এই আবহে এবার তমলুকের সাংসদের কাছ থেকে তাঁর মন্তব্যের ব্যাখ্যা চাইবেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
তৃণমূলকে কি হারাতে চায় বিজেপি? সম্প্রতি এই প্রশ্ন তুলে দলের অস্বস্তি বাড়িয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এই আবহে এবার তমলুকের সাংসদের কাছ থেকে তাঁর মন্তব্যের ব্যাখ্যা চাইবেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। জানা গিয়েছে, শুক্রবার বঙ্গ বিজেপি কোর কমিটি বৈঠক করেছে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে।

সম্প্রতি এবিপি আনন্দকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিজিৎ দাবি করেন, তিনি বিজেপির হয়ে ভোটের ময়দানে নেমেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরানোর লক্ষ্যে। তবে তিনি কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলির দিকে আঙুল তুলে দাবি করেছেন, তিনি তাঁর লক্ষ্যের ধারের কাছে নেই। এরই সঙ্গে তিনি রাজ্যে ৩৫৫ ধারা জারির পক্ষে সওয়াল করেন। তোপ দাগেন কেন্দ্রের মোদী সরকারকেও। তিনি বলেন, 'কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি বদল করতে চায় না।' এদিকে দলের সাংসদের এই বিস্ফোরক সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, 'যথাযোগ্য জায়গায় ওঁর মতগুলি বললে তা নিয়ে আলোচনা হবে। এই মুহূর্তে আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, তৃণমূলকে এই রাজ্য থেকে সরানো।'
এরই সঙ্গে তিনি বাঙালি বনাম অবাঙালি বিতর্কও উস্কে দেন। এই বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, 'হিন্দি বলয় থেকে এখানে নেতা এনে ভোট করানো যাবে না। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মন, মেজাজ, তাঁদের অভিমান, এসব দিল্লিওয়ালা নেতারা বোঝেন না।' এদিকে নির্বাচন কমিশন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, ভোটার তালিকায় 'কারচুপির' জন্য কয়েকজন আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্য সেই সব অভিযুক্ত আধিকারিকদের সাসপেন্ড করলেও এফআইআর করেনি। আর এর জন্য নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। এই আবহে কমিশনের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রাক্তন বিচারপতি।
এদিকে একের পর এক দুর্নীতি থেকে আরজি করে চিকিৎসক ধর্ষণ-খুন মালমায় কেন্দ্রীয় এজেন্সিক তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, 'বড় বড় নামের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ থাকলেও তাদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করা হচ্ছে না। সিবিআই, ইডির বড় বা মেজো কর্তারা বিজেপি বিরোধী দলগুলির মতপুষ্ট বলে মনে হয়।' এরপর তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলি কেন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করেনি, তার জন্য কৈফিয়ৎ চাওয়া উচিত প্রধানমন্ত্রীর কাছে। এরপর তিনি বিস্ফোরক মন্তব্য করে বলেন, 'বিজেপি সরাতে চায় কি চায় না— এটা অনেক গভীর প্রশ্ন। সেই প্রশ্নে আজ যাব না। কিছুদিন বাজে হয়ত যাব।'












