Bangladeshi Army Officials to Come in India: বাংলাদেশ সেনার ২ অফিসার আসছেন ফোর্ট উইলিয়ামে, জানালেন ভারতীয় মেজর জেনারেল

বিজয় দিবস উপলক্ষে ভারতে আসবেন বাংলাদেশ সেনার দুই উচ্চপদস্থ আধিকারিক, ৮ মুক্তিযোদ্ধা এবং তাঁদের পরিবার। এদিকে ৭ ডিসেম্বর থেকেই বিজয় দিবস উদযাপনের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয় কলকাতায়। এই আবহে কলকাতার বিজয় দুর্গে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করে ভারতীয় নৌবাহিনী।

Published on: Dec 08, 2025 8:22 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলাদেশ সেনার ২ অফিসার আসছেন ফোর্ট উইলিয়ামে। বিজয় দিবস উপলক্ষে তাঁরা আসবেন ভারতে। সেনা আধিকারিকের পাশাপাশি ৮ জন মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবার-সহ মোট ২০ জন বাংলাদেশি অতিথি ফোর্ট উইলিয়ামে আসবেন বিজয় দিবস উপলক্ষে। এমনটাই জানালেন ভারতীয় সেনার মেজর জেনারেল ভানগুরু রঘু। জানা গিয়েছে, প্রতিবারের মতো এবারও বিজয় দিবস উপলক্ষে ভারতের তরফ থেকে ফোর্ট উইলিয়ামে আসার জন্য বাংলাদেশ সেনাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দেয় সেই দেশের সেনা।

বিজয় দিবস উপলক্ষে ভারতে আসবেন বাংলাদেশ সেনার দুই উচ্চপদস্থ আধিকারিক, ৮ মুক্তিযোদ্ধা এবং তাঁদের পরিবার।
বিজয় দিবস উপলক্ষে ভারতে আসবেন বাংলাদেশ সেনার দুই উচ্চপদস্থ আধিকারিক, ৮ মুক্তিযোদ্ধা এবং তাঁদের পরিবার।

এদিকে ৭ ডিসেম্বর থেকেই বিজয় দিবস উদযাপনের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয় কলকাতায়। এই আবহে কলকাতার বিজয় দুর্গে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করে ভারতীয় নৌবাহিনী। অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল বিজয় বাইক র‍্যালি। গুয়াহাটি, তেজপুর, শিলং, শিলিগুড়ি, মালদহ, নবগ্রাম অতিক্রম করে ৭ ডিসেম্বরই ব়্যালিটি কলকাতার বিজয় দুর্গে পৌঁছায়। মোট ১৩৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ ছিল এই ব়্যালি। র‍্যালির সময় রাইডাররা আগরতলার অ্যালবার্ট এক্কা ওয়ার মেমোরিয়াল, করিমগঞ্জ মনোলিথস, কিলাপাড়া ওয়ার মেমোরিয়াল, বগরা ওয়ার মেমোরিয়াল, হিলি ওয়ার মেমোরিয়াল সহ বিভিন্ন যুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এর আগে ৬ ডিসেম্বর ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে মৈত্রী দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল ভারতীয় হাইকমিশনের তরফ থেকে। প্রসঙ্গত, ১৯৭১ এর ৪ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে চিঠি লিখে বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণার আর্জি জানিয়েছিলেন। সেই মতো ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল ভারত। ২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঢাকা সফর করেছিলেন। সেই সময় দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের পর দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে ঘোষণা করা হয়, ৬ ডিসেম্বর মৈত্রী দিবস হিসেবে পালন করবে দুই দেশ। সেই থেকে দিনটি মৈত্রী দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। ২০২১ সাল থেকে ঢাকা ও দিল্লি ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ ও ভারতের দূতাবাস যৌথভাবে মৈত্রী দিবস পালন করেছে। তবে ইউনুসের জমানায় সেই সবের বালাই নেই। বিগত কয়েক বছরের মতো বাংলাদেশ সরকার এবার ৬ ডিসেম্বর দিনটি মৈত্রী দিবস হিসেবে পালন করেনি। তবে বিজয় দিবসে বাংলাদেশি সেনা প্রতিনিধি পাঠাবে ভারতে।