বাংলাদেশি রোগীদের দেহ ভারতের হাসপাতালের মর্গে? কী ঘটছে আলিপুরদুয়ারে?

রিপোর্ট অনুযায়ী, আলিপুরদুয়ারের জেলা হাসপাতালের মর্গে পড়ে রয়েছে মোট ৮টি দেহ। এই সব দেহ নেওয়ার জন্য কেউ দাবি জানাচ্ছে না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নাকি জানিয়েছে, মর্গে পড়ে থাকা ৮টি দেহের মধ্যে ২টি দেহের যে পরিচয়পত্র হাসপাতালে জমা দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো ভুয়ো।

Published on: Dec 08, 2025 12:23 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলাদেশিদের মৃতদেহে ভরে যাচ্ছে ভারতের হাসপাতালের মর্গ! এমনই দাবি করা হয়েছে আলিপুরদুয়ারে। এই নিয়ে রিপোর্টে বলা হয়, আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের সুপার পরিতোষ মণ্ডল নাকি বলেছেন, 'পরিবার এসে ভর্তি করছে কিন্তু মারা গেলে আর নিয়ে যাচ্ছে না।' এই আবহে দাবি করা হয়, এই দেহগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি বাংলাদেশিদের। রিপোর্ট অনুযায়ী, আলিপুরদুয়ারের জেলা হাসপাতালের মর্গে পড়ে রয়েছে মোট ৮টি দেহ। এই সব দেহ নেওয়ার জন্য কেউ দাবি জানাচ্ছে না।

আলিপুরদুয়ারের জেলা হাসপাতালের মর্গে পড়ে রয়েছে মোট ৮টি দেহ।
আলিপুরদুয়ারের জেলা হাসপাতালের মর্গে পড়ে রয়েছে মোট ৮টি দেহ।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নাকি জানিয়েছে, মর্গে পড়ে থাকা ৮টি দেহের মধ্যে ২টি দেহের যে পরিচয়পত্র হাসপাতালে জমা দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো ভুয়ো। এই কারণে সেই ২ দেহ নিয়ে বেশি চিন্তিত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ডঃ পরিতোষ মণ্ডল বলেন, 'যে দু’টি দেহ মর্গে রয়েছে, তাদের ভর্তি করার সময় পরিবরের সদস্যরা যে ফোন নম্বর দিয়েছিলেন, তা ভুয়ো। এখন দেহগুলি নিতে কেউ আসছেন না।' এই আবহে ধারণা করা হচ্ছে, এই দুই মৃতব্যক্তি সম্ভবত বাংলাদেশি নাগরিক হয়ে থাকতে পারেন।

বিষয়টি নিয়ে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের সুপার পরিতোষ মণ্ডল বলেন, 'মর্গে এমন দেহ রাখা সত্যিই খুব অসুবিধার। পরিবার আসে না। কিন্তু আমাদের তো একটা দায় রয়েছে। আমাদের দাহ করতে হয়, তার আবার আলাদা একটা খরচ রয়েছে।' এর আগে নভেম্বর নাগাদ এই আলিপুরদুয়ার হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছিল এক মহিলার। মহিলার বাড়ির লোকের কাছে মৃতার পরিচয়পত্র, নথি চাইতেই উধাও হয়ে যান তাঁরা। সেই মহিলারও দেহ মর্গে পড়েছিল বহুদিন। সেই সময়ও প্রশ্ন উঠেছিল, সেই মহিলা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী কি না। উল্লেখ্য, ডেথ সার্টিফিকেট তৈরির জন্য আধার কার্ড বা ভোটার কার্ড চেয়ে থাকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেই নথি না থাকার জেরেই এভাবে মৃত রোগীর দেহ ফেলে পরিবারের সদস্যরা চলে যাচ্ছেন বলে মনে করা হচ্ছে।