রিপোর্ট অনুযায়ী, বারাসত এবং বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান বদল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই আবহে ইতিমধ্যেই বারাসত পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অশনি মুখোপাধ্যায়।
২০২৬ সালের নির্বাচনকে পাখির চোখ করে বিভিন্ন স্তরে সাংগঠনিক রদবদল করছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এরই মাঝে এবার দুই পুরসভার চেয়ারম্যানও বদল করার পথে হাঁটল ঘাসফুল শিবির। রিপোর্ট অনুযায়ী, বারাসত এবং বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান বদল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই আবহে ইতিমধ্যেই বারাসত পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অশনি মুখোপাধ্যায়।
বারাসত এবং বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান বদল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
তবে বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেননি গোপাল শেঠ। এই আবহে তাঁকে ঘিরে জল্পনা তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে তৃণমূলের ১৯ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ১৫ জন কাউন্সিলরকে নিয়ে পুরসভায় বৈঠক করেন বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল শেঠ। জানা যাচ্ছে, বনগাঁয় পরবর্তী চেয়ারম্যান করা হতে পারে দিলীপ মজুমদারকে। এদিকে গত বছর নভেম্বর মাসে উত্তর বারাকপুর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সত্যজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় আত্মঘাতী হয়েছিলেন। এরপর থেকে গত একবছর ধরে এই পদটি ফাঁকা ছিল। শুক্রবার সেই দে বসানো হয়েছে শ্রীপর্ণা রায়কে। তিনি শপথ নেন গতকাল। এদিকে বারাসত এবং বনগাঁতে কেন চেয়ারম্যানকে সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল?
রিপোর্ট অনুযায়ী, কয়েক মাস আগে নাকি বিভিন্ন পুরসভায় সমীক্ষা চালানো হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে। তাতে দেখা যায়, সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না পুরসভাগুলি। এর জেরেই দুই পুরসভার চেয়ারম্যান বদলের সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল। এই আবহে মধ্যমগ্রাম জেলা তৃণমূল পার্টি অফিসে দলের কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠক করেন বারাসতের সাংসদ তথা সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এরপর কাউন্সিলররা বারাসত পুরসভায় বোর্ড মিটিং করেন। পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে সুনীল মুখোপাধ্যায়কে মনোনীত করা হয়েছে।