Brigade chicken patties row: 'মমতার টার্গেট....', চিকেন প্যাটিসকাণ্ডে ৩ জনের জামিনের পরে শুভেন্দু, করলেন বরণ

গীতাপাঠের দিন চিকেন প্যাটিস কাণ্ডে ধৃত তিনজনের মুক্তির পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা দাবি করেন, মমতা সরকার হিন্দু-বিরোধী হয়ে গিয়েছে। আর মমতার পুলিশ পরিণত হয়েছে মুসলিম লিগের পুলিশে।

Published on: Dec 12, 2025 8:08 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

গীতাপাঠের দিন চিকেন প্যাটিস কাণ্ডে ধৃত তিনজনের মুক্তির পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা দাবি করেন, মমতা সরকার হিন্দু-বিরোধী হয়ে গিয়েছে। আর মমতার পুলিশ পরিণত হয়েছে মুসলিম লিগের পুলিশে। তারইমধ্যে শুভেন্দু পরামর্শ দিয়েছেন যে তিনজনের (সৌমিক গোলদার, স্বর্ণেন্দু চক্রবর্তী এবং তরুণ ভট্টাচার্য) বাড়িতে যেন সিসিটিভি ফুটেজ লাগানো হয়। সেইসঙ্গে তিনি ব্যক্তিগতভাবে তিনজনের জন্য বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ করে দেবেন বলে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা।

গীতাপাঠের দিন চিকেন প্যাটিস কাণ্ডে ধৃত তিনজনের মুক্তির পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। (ছবি সৌজন্যে, ফেসবুক Suvendu Adhikari)
গীতাপাঠের দিন চিকেন প্যাটিস কাণ্ডে ধৃত তিনজনের মুক্তির পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। (ছবি সৌজন্যে, ফেসবুক Suvendu Adhikari)

আর যাবতীয় চিকেন প্যাটিস কাণ্ডের সূত্রপাত হয় রবিবার ব্রিগেডে গীতাপাঠের দিনে। অভিযোগ ওঠে, গীতাপাঠের দিন কেন ব্রিগেডে চিকেন প্যাটিস বিক্রি করা হবে, তা নিয়ে হম্বিতম্বি করা হতে থাকে। দুই বিক্রেতাকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ ওঠে যে একজনকে কান ধরে ওঠবস করতেও বাধ্য করা হয়। সেই ঘটনার পরে দুই প্যাটিস বিক্রেতা শেখ রিয়াজুল এবং মহম্মদ সালাউদ্দিন অভিযোগ দায়ের করেন ময়দান থানায়। রুজু করা হয় এফআইআর। রিয়াজুল অভিযোগ করেন, রবিবার চিকেন প্যাটিস বিক্রি করার সময় তাঁকে ঘুষি, চড়-থাপ্পড় মারা হয়েছে। তাঁর বাক্সে যে হাজার তিনেক টাকার মতো খাবার ছিল, তাও নষ্ট করে দেওয়া হয়। অন্যদিকে সালাউদ্দিন দাবি করেছেন যে তাঁকেও থাপ্পড় মারা হয়েছে।

পরবর্তীতে ভিডিয়ো ও ছবি খতিয়ে দেখে সৌমিকদের গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু বৃহস্পতিবারই তিনজন জামিন পেয়ে যান। তাঁদের আইনজীবীরা ব্যাঙ্কশাল কোর্টে সওয়াল করেন যে ভেজ বলে চিকেন প্যাটিস বিক্রি করা হচ্ছিল। অন্যদিকে রাজ্যের তরফে দাবি করা হয় যে প্যাটিস বিক্রেতাদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে। তারইমধ্যে এক প্যাটিস বিক্রেতার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে পালটা অভিযোগ।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার কৃষ্ণনগরের সভা থেকে ব্রিগেডে প্যাটিস বিক্রেতাদের মারধরের ঘটনায় সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'প্যাটিস বিক্রেতাদের মারধর করা হয়েছে। কাল সবকটাকে গ্রেফতার করেছি। এটা বাংলা, উত্তরপ্রদেশ নয়।' এরপরেই ‘পাঁচ লাখ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ কর্মসূচিকে বিঁধে তিনি বলেন, 'গীতাপাঠ আমরা সবাই করি। তার জন্য পাবলিক মিটিং করার কী আছে?' তাঁর বক্তব্য, ধর্মাচারণ ব্যক্তিগত, তা রাজনৈতিক প্রদর্শনের বিষয় হওয়া উচিত নয়। এদিনের সভা থেকে ডিটেনশন ক্যাম্প নিয়েও পরিষ্কার অবস্থান জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'বাংলায় এনআরসি হবে না, ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না। মনে রাখবেন, আমি ভোট চাইতে আসিনি। নিশ্চিন্তে থাকুন, কাউকে তাড়াতে দেব না। সবাইকে সসম্মানেই রক্ষা করব।'