Brigade Gita Paath: ব্রিগেড থেকে হিন্দুরাষ্ট্রের ডাক, গীতাপাঠের মঞ্চে কী বললেন বাগেশ্বর ধামের ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী?

বাগেশ্বর ধামের ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী বললেন, 'বাংলার হিন্দুদের উদ্দেশে আমার বার্তা, আপনারা যখন এক হবেন তখনই ভারত হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত হবে।'

Published on: Dec 07, 2025 2:56 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

গতকালই বাংলা সরগরম ছিল মুর্শিদাবাদের বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নিয়ে। আর আজ কলকাতার ব্রিগেড সাক্ষী থাকল লক্ষাধিক কণ্ঠে গীতাপাঠের। আর সেই গীতাপাঠের অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই হিন্দুরাষ্ট্রের পক্ষে সওয়াল বাগেশ্বর ধামের ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী। তিনি বলেন, 'প্রদেশ যখন এক হয়, তখন দেশ তৈরি হয়। তাই বাংলার হিন্দুদের উদ্দেশে আমার বার্তা, আপনারা যখন এক হবেন তখনই ভারত হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত হবে।' এদিকে বাবরি মসজিদ নিয়ে তিনি বলেন, 'যাঁরা এক সময় ভারতে আক্রমণ চালিয়েছিল, তাঁদের নামাঙ্কিত এই দেশে কি কোনও কিছু তৈরি করা উচিত? আমাদের মাথায় রাখতে হবে এটা বাবরের দেশ নয় রঘুবরের দেশ।'

বাগেশ্বর ধামের ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী বললেন, 'বাংলার হিন্দুদের উদ্দেশে আমার বার্তা, আপনারা যখন এক হবেন তখনই ভারত হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত হবে।' (ফাইল ছবি) (@bageshwardham)
বাগেশ্বর ধামের ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী বললেন, 'বাংলার হিন্দুদের উদ্দেশে আমার বার্তা, আপনারা যখন এক হবেন তখনই ভারত হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত হবে।' (ফাইল ছবি) (@bageshwardham)

রবিবার দুপুরে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সনাতন সংস্কৃতি সংসদের আয়োজনে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা বেলডাঙা রামকৃষ্ণ মিশনের প্রধান মহারাজ প্রদীপ্তানন্দ অর্থাৎ কার্তিক মহারাজ। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে একই সংগঠনের উদ্যোগে ব্রিগেডেই হয়েছিল গীতাপাঠ। এদিকে এবারের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত থাকলেও দেখা যায়নি রামদেবকে। এছাড়া আমন্ত্রণ গিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও। তবে বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য, সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী, অগ্নিমিত্রা পালরা গিয়েছিলেন।

আজকের অনুষ্ঠানে গিয়ে সুকান্ত বলেন, 'আমরা গতকাল যা দেখেছি, তাতে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে হিন্দু ভোটকে ভাগ করা এবং মুসলিম ভোটকে এক করার চক্রান্ত চলছে। যা হচ্ছে তার জন্য দায়ী হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই ধরনের সাম্প্রদায়িক শক্তিকে বারবর তোল্লা দিয়ে উপরে তুলেছে। একুশের ভোটে তো মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়কে সিংহভাগ হিন্দু ভোট দেয়নি। হিন্দুরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশ্বাস করে না।' এদিকে দিলীপ ঘোষ বলেন, 'হিন্দু সমাজ সংগঠিত না থাকার ফলেই বাংলার বিভাজন। আজও লক্ষ লক্ষ মানুষ দাসের মতো জীবন কাটাচ্ছেন। বাংলাদেশে আমাদের ভাইদের উপর অত্যাচার চলছে। মন্দির ভাঙা হচ্ছে, মা-বোনদের সম্মান লুণ্ঠিত হচ্ছে। সেজন্যই সাধুরা হিন্দু জাগরণের দায়িত্ব নিয়েছেন। লক্ষ লক্ষ মানুষের গীতাপাঠ সেই ভাবনাকেই শক্তিশালী করবে। দ্বিতীয়বার যেন আর কোনও বিভাজন না হয়।' এদিকে আজকে মঞ্চে না বসে মাটিকে বসে গীতাপাঠ করতে দেখা যায় শুভেন্দুকে।

আজকের অনুষ্ঠানে গীতার প্রথম, নবম ও অষ্টাদশ অধ্যায় পাঠ করা হয়। এদিকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তো ভক্ত সমাগম হয়েই ছিল। এছাড়াও ওড়িশা, বিহার, ঝাড়খণ্ড, অন্ধ্রপ্রদেশ ছাড়াও বাংলাদেশ ও নেপাল থেকেও অনেকে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে এসেছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। আজ গীতাপাঠ শুরুর আগে ব্রিগেডে বেজে উঠেছিল বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ।