BSF Seizes ₹3 Crore Gold in B'desh Border: বাংলাদেশ সীমান্তে চলল অপারেশন, কচুরিপানায় লুকিয়েও এড়ানো যায়নি BSF-এর নজর

অভিযানে বাজেয়াপ্ত হওয়া সোনার বিস্কুটের মোট ওজন ২৩৫৪.৭৩ গ্রাম। যার মূল্য ৩ কোটি ৫ লক্ষ ৯৯ হাজার ৭১৬ টাকা। গোপন সূত্রে খবর পেয়েই এই সোনা পাচারকারীদের ধরতে অভিযান চালিয়েছিলেন বিএসএফ জওয়ানরা। আর সেই অভিযানের সময়ই ধরা পড়ে এক পাচারকারী।

Published on: Dec 04, 2025 8:30 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলাদেশ সীমান্তে ধরা পড়ল পাচারকারী। সঙ্গে উদ্ধার হল ৩ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের সোনা। গত ২ ডিসেম্বর ঘটনাটি ঘটে নদিয়া জেলার টুঙ্গি বিওপি এলাকায়। রিপোর্ট অনুযায়ী, অভিযানে বাজেয়াপ্ত হওয়া সোনার বিস্কুটের মোট ওজন ২৩৫৪.৭৩ গ্রাম। যার মূল্য ৩ কোটি ৫ লক্ষ ৯৯ হাজার ৭১৬ টাকা। গোপন সূত্রে খবর পেয়েই এই সোনা পাচারকারীদের ধরতে অভিযান চালিয়েছিলেন বিএসএফ জওয়ানরা। আর সেই অভিযানের সময়ই ধরা পড়ে এক পাচারকারী।

বাংলাদেশ সীমান্তে এক পাচারকারীকে ধরল বিএসএফ, উদ্ধার ৩ কোটি টাকার সোনা (প্রতীকী ছবি)
বাংলাদেশ সীমান্তে এক পাচারকারীকে ধরল বিএসএফ, উদ্ধার ৩ কোটি টাকার সোনা (প্রতীকী ছবি)

জানা গিয়েছে, বিকেলে সূর্যাস্তের কিছু আগে সীমান্ত এলাকায় হ্রদের মধ্যে দিয়ে দুই সোনা পাচারকারী ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিল বাংলাদেশ থেকে। হ্রদে পাচারকারীদের গতিবিধি লক্ষ্য করেন বিএসএফের ৩২তম ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা। সীমান্তরক্ষীরা গোপন সূত্রে আগেই খবর পেয়েছিলেন যে সেখান দিয়ে সোনা পাচারের চেষ্টা হতে পারে। সেই মতো সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছিল। এই আবহে টহলরত বিএসফ জওয়ানদের দেখে পাচারকারীরাও হ্রদে কচুরিপানায় লুকিয়ে পড়ার চেষ্টা করে। তবে একজন পাচারকারীকে ধরে ফেলেন বিএসএফ জওয়ানরা। তবে একজন চোরাকারবারি অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

এদিকে এক পাচারকারীকে ধরার পরে আশেপাশের এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। সেই সময় বেশ কয়েকটি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। সেই সব প্যাকেট মিলিয়ে ২০টি সোনার বিস্কুট পাওয়া গিয়েছে। ধৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিওপি টুঙ্গিতে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক তদন্তে সে জানায়, সে বাংলাদেশের বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ আন্তঃসীমান্ত চোরাচালানে জড়িত। পরে ধৃত অভিযুক্তকে সোনাসহ পুলিশের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ।

উল্লেখ্য, অপারেশন সিঁদুরের পর থেকেই ক্রমাগত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ধরে ধরে পুশব্যাক করছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। যা নিয়ে প্রথমদিকে বেশ আপত্তি জানিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে এখন সেরকম কোনও আওয়াজ শোনা যাচ্ছে না কাঁটাতারের ওপার থেকে। এছাড়া চোরাচালান নিয়েও দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। বাংলাদেশি পাচারকারীদের ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা গুলি করলে তা নিয়ে আপত্তি রয়েছে ঢাকার। এদিকে নিজেদের দেশের চোরাচালানকারীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে না বাংলাদেশ। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন সময় বিজিবির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, টাকা নিয়ে পাচারকারীদের ভারতে অনুপ্রবেশের 'অনুমতি' দেয় তারাই। এই সবের মাঝে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর শুরু হতে অনুপ্রবেশকারীরা নিজেরাই ভারত ছেড়ে পালিয়ে যেতে শুরু করেছে। আর সীমান্তে বিএসএফের নজরদারি আরও কড়া হয়েছে।