CAA Case in Calcutta High Court: CAA-তে আবেদনের নথি গ্রহণ করা হোক SIR-এর জন্য, হাইকোর্টে হল মামলা

নাগরিকত্বের জন্য নতুন করে আবেদন করার পরে ভোটার তালিকায় থাকা নাম নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে মামলা করা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। হাইকোর্টে আবেদন করে বলা হয়েছে, সিএএ-তে আবেদনের রসিদ যেন এসআইআর প্রক্রিয়ায় গ্রহণ করা হয়।

Published on: Nov 07, 2025 2:40 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

চলছে এসআইআর প্রক্রিয়া। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম দিয়ে আসা হচ্ছে ভোটারদের। এরই মাঝে বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থীদের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর আগে অনেকেরই নাম ছিল ভোটার তালিকায়। তবে নাগরিকত্বের জন্য নতুন করে আবেদন করার পরে ভোটার তালিকায় থাকা নাম নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে মামলা করা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। হাইকোর্টে আবেদন করে বলা হয়েছে, সিএএ-তে আবেদনের রসিদ যেন এসআইআর প্রক্রিয়ায় গ্রহণ করা হয়।

CAA-তে আবেদনের নথি গ্রহণ করা হোক SIR-এর জন্য, হাইকোর্টে হল মামলা (Debajyoti Chakraborty )
CAA-তে আবেদনের নথি গ্রহণ করা হোক SIR-এর জন্য, হাইকোর্টে হল মামলা (Debajyoti Chakraborty )

হাইকোর্টে সিএএ সংক্রান্ত এই আবেদন জানিয়েছে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে সোমবার এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, বাংলায় গত ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়া। ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এনুমারেশন ফর্ম দেওয়া হবে। এই অবস্থায় সিএএ-তে আবেদনকারীরা যাতে এসআইআর প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন, সেই সংক্রান্ত নির্দেশনার দাবি জানিয়ে মামলা করা হয়েছে উচ্চ আদালতে।

প্রসঙ্গত, এসআইআর নিয়ে রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই একাধিক তৃণমূল নেতাও এসআইআর ফর্ম গ্রহণ করেছেন। আবার মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কলকাতায় এসআইআর বিরোধী মিছিল এবং সমাবেশ করে তৃণমূল। তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে কেন্দ্র নাকি নাগরিকত্বের প্রমাণ চাইছে মানুষের কাছে। এই আবহে ঘুর পথে এনআরসি করা হচ্ছে রাজ্যে।

২০০২ সালের পর এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর হচ্ছে। গতবারের সমীক্ষা অনুযায়ী ২০০২ সালের ভোটা তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে কমিশনের ওয়েবসাইটে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় যাঁদের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় রয়েছে, তাঁদের নাম এবারও এমনিতেই থাকবে। তাছাড়া ২০০৩ সালের বিহারের এসআইআর-এ নাম থাকা ভোটারদের কেউ যদি বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার হন, সেই ক্ষেত্রেও তাঁর নাম তালিকায় বহাল থাকবে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে যাঁদের বাবা-মায়ের নাম ২০০২ সালের তালিকায় ছিল, তাঁদের বাবা-মায়ের বিশদ ফিলআপ করতে হবে ফর্মে। সেই আবহে তাঁদেরও নাম ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে বর্তমান তালিকায় থাকবে। এছাড়া যাঁদের বাবা-মায়ের নাম ২০০২ সালের তালিকায় আছে কিন্তু সেই সময় প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া সত্ত্বেও কারও নাম তালিকায় নেই, সেই ক্ষেত্রে ১২টি নির্ধারিত নথির (আধার কার্ড-সহ) যেকোনও একটি জমা দিতে হবে। যাঁদের নাম বা তাঁদের বাবা-মায়ের নাম ২০০২ সালের তালিকাতেই নেই, তাঁদের ক্ষেত্রেও এই ১২টি নথি থেকে নাগরিকত্বের প্রমাণ জমা দিতে বলা হবে। সঙ্গে বাবা-মায়ের নথিও প্রদর্শন করতে হবে তাঁদের।

এসআইআর-এ প্রথামিক ভাবে ১১টি নথি গ্রহণের কথা বলা হয়েছিল। এই ১১টি নথির মধ্যে আধার বা ভোটার আইডি কার্ড ছিল না। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আধারকে ১২তম নথি হিসেবে গ্রহণ করতে শুরু করেছে কমিশন। তবে এই ক্ষেত্রে আধার শুধুমাত্র পরিচয়পত্র। প্রসঙ্গত, এসআইআর প্রক্রিয়ায় আধারকে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশে সুপ্রিম কোর্টও জানিয়ে দিয়েছে, আধার কোনও নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়।

News/Bengal/CAA Case In Calcutta High Court: CAA-তে আবেদনের নথি গ্রহণ করা হোক SIR-এর জন্য, হাইকোর্টে হল মামলা