CEO meeting with BSF & Police: SIR আবহে বাংলাদেশ ফিরছেন বহু অনুপ্রবেশকারী, এই আবহে BSF-এর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন CEO
সিইও মনোজ আগরওয়ালের মুখোমুখি হবেন রাজ্য পুলিশের ২৫টি বিভাগের শীর্ষ আধিকারিক এবং বিএসএফ কর্তারা। জানা গিয়েছে, বৈঠকটি হবে আগামী ১১ ডিসেম্বর।
রাজ্য জুড়ে এসআইআর প্রক্রিয়া জারি আছে। এরই মাঝে এবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বৈঠক করতে চলেছেন বিএসএফ এবং পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে। জানা গিয়েছে, বৈঠকটি হবে আগামী ১১ ডিসেম্বর। সেই বৈঠকে সিইও মনোজ আগরওয়ালের মুখোমুখি হবেন রাজ্য পুলিশের ২৫টি বিভাগের শীর্ষ আধিকারিকরা। এছাড়াও বিএসএফ আধিকারিকরাও থাকবেন সেখানে। আর এর ফলেই কৌতুহল বেড়েছে এই বৈঠক ঘিরে। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিককালে দেখা গিয়েছে, এসআইআর চলাকালীন বাংলাদেশ সীমান্তে ভিড় জমিয়েছিলেন কয়েকশো বাংলাদেশি অবৈধবাসী। তারা সকলেই বাংলাদেশ ফিরে গিয়েছেন এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন। অবশ্য জানা গিয়েছে, ভোটের আগে সীমান্ত সহ প্রতি এলাকার নিরাপত্তা বজায় রাখতেই সিইও এই বৈঠক ডেকেছেন পুলিশ এবং বিএসএফ কর্তাদের সঙ্গে।

সীমান্তে বেআইনি কার্যকলাপ বন্ধ করতে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে, সেই বিষয়ে বৈঠকে খোঁজ নেবেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। চাওয়া হবে রিপোর্ট। প্রসঙ্গত, আগামী বছরই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এর আগে বাকি আর কয়েকটা মাস। এরই মাঝে রাজ্যে চলছে এসআইআর প্রক্রিয়া। এই আবহে রাজ্যে কোথাও কোনও রকম উত্তপ্ত পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, তার জন্য আগেভাগে প্রস্তুতি নিতে চাইছে কমিশন।
রাজ্যের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্তও যাতে সুরক্ষিত থাকে, তার দিকেও বিশেষ নজর রয়েছে নির্বাচন কমিশেনর। সম্প্রতি হেলিকপ্টারে করে সীমান্তবর্তী এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন বিএসএফ-এর দক্ষিণবঙ্গ প্রধান। বাংলাদেশে ফিরতে চেয়ে সীমান্তে ভিড় করা অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে রিপোর্টও জমা করেছিলেন তিনি। আগামী ১১ ডিসেম্বরের বৈঠকেও সিইও-র সামনে সেই সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরতে পারেন বিএসএফ কর্তা।
এদিকে সম্প্রতি দাবি করা হয়েছিল, চলতি এসআইআর পর্বে রাজ্যের ২২০৮ বুথে নাকি ‘আনকালেক্টেবল ফর্ম জমা পড়েনি’। তবে সেই সংখ্যা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নেমে ৪৮০ হয়েছে। অর্থাৎ, এই বুথগুলিতে কোনও মৃত ভোটার নেই, কোনও ভোটার স্থানান্তরিত হননি। যা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ উঠেছে, রাজ্য প্রশাসন 'ডেটা ট্যাম্পারিং' করছে। শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেল চারটে পর্যন্ত মৃত ভোটার ২২ লক্ষ ২৮ হাজার, স্থানান্তরিত ১৬ লক্ষ ২২ হাজার, ডুপ্লিকেট ১ লক্ষ ৫ হাজার এবং নিঁখোজ ভোটার ৬ লক্ষ ৪১ হাজার। আর মোট আনকালেক্টেবল ফর্ম ৪৬ লক্ষ ২০ হাজার।












