Shaheen WB Connection Update: জেল থেকে জইশ জঙ্গি শাহিনের যোগাযোগ ছিল নদিয়ার সাবির আহমেদের? বাংলায় NIA অফিসাররা

সাহিনের তৈরি করা সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপে নাকি সক্রিয় ছিল সাবির। এই সাবির বর্তমানে প্রেসিডেন্সিতে জেলে বন্দি। মাদক পাচারকাণ্ডে নাকি তিনবছর ধরেই সে জেলে। এই আবহে জেলে গিয়ে সাবিরকে জেরা করেছেন এনআইএ তদন্তকারীরা।

Published on: Nov 16, 2025 2:02 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

জইশের মহিলা শাখার জন্য ভারতে জঙ্গি ভর্তির দায়িত্বভার ছিল শাহিন শহিদ নামে চিকিৎকের কাঁধে। সেই শাহিনের সঙ্গে নদিয়ার পলাশী পাড়ার বাসিন্দা সাবির আহমেদের যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। এই আবহে তদন্ত করতে নদিয়ায় পৌঁছেছেন এনআইএ-র তদন্তকারী অফিসাররা। এই সাবির বর্তমানে প্রেসিডেন্সিতে জেলে বন্দি। বেআইনি মাদক পাচারের অভিযোগ রয়েছে সাবিরের বিরুদ্ধে। এরই মাঝে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, সাহিনের তৈরি করা সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপে নাকি সক্রিয় ছিল সাবির।

সাহিনের তৈরি করা সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপে নাকি সক্রিয় ছিল সাবির। (HT_PRINT)
সাহিনের তৈরি করা সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপে নাকি সক্রিয় ছিল সাবির। (HT_PRINT)

সাবিরের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারত বিরোধী প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এই আবহে সবিরকে জেলে গিয়েও জেরা করেছেন তদন্তকারীরা। এদিকে প্রশ্ন উঠেছে, জেলবন্দি থাকাকালীন কীভাবে সাবির সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করত? রিপোর্ট অনুযায়ী, বিগত ৩ বছর ধরে জেলে আছে সাবির। এদিকে শাহিনের বিরুদ্ধে জইশের মহিলা জঙ্গি শাখার জন্য রিক্রুটমেন্টের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া দিল্লি বিস্ফোরণের সময় যে ডাক্তার মডিউলের পর্দা ফাঁস হয়েছে, তাতেও নাম জড়িয়েছে শাহিনের। এই শাহিন নাকি বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করেছিল জঙ্গি কার্যকলাপে।

দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্তে এর আগে উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহারের মতো একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছে তদন্তকারীরা। এই আবহে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ১৪ নভেম্বর রাতে ধরা হয়েছিল এক মেডিক্যাল পড়ুয়াকে। এনআইএ আটক করেছিল নিশার আলম নামে সেই ছাত্রকে। উত্তর দিনাজপুরের সূর্যাপুর বাজার এলাকা থেকে নিশারকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ইসলামপুরে। সেখান থেকে শিলিগুড়ি। এই নিশার হরিয়ানার আলফলাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিবিএসের ছাত্র। এই আবহে ডাক্তারদের জঙ্গি মডিউল নিয়ে জেরা করতেই নিশারকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে একদিন জেরা করার পরই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নিশারের থেকে নাকি তদন্তকারীরা জানতে চান যে মুজাম্মিল, আদিল, উমরদের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ছিল কি না, ক্যাম্পাসে এই মুজাম্মিলদের আচরণ কেমন ছিল। নিশার নাকি জানিয়েছেন, এই অভিযুক্তদের মধ্যে একজন তাঁর বন্ধু ছিল। যদিও সেই বন্ধুর সঙ্গে বছর খানেক আগে শেষবার কথা হয়েছিল তাঁর। ওই ডাক্তারি পড়ুয়ার দেওয়া তথ্যে কোনও অসঙ্গতি পাননি তদন্তকারীরা। এই আবহে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

News/Bengal/Shaheen WB Connection Update: জেল থেকে জইশ জঙ্গি শাহিনের যোগাযোগ ছিল নদিয়ার সাবির আহমেদের? বাংলায় NIA অফিসাররা