Humayun Kabir Latest Update: কেন্দ্র নাকি নিদের থেকেই নিরাপত্তা দিতে চায়, হাইকোর্টের দ্বারস্থ হুমায়ুন কবির
হুমায়ুন কবির বলেন, 'কেন্দ্রীয় সরকার আমাকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য লোক পাঠিয়েছিল। কিন্তু আমি বলেছি, আমি হাইকোর্টে যাব। হাইকোর্ট যদি আমাকে নিরাপত্তা দেয়, সেই মোতাবেক নিরাপত্তা নেব।'
কলকাতা হাইকোর্টে দ্বারস্থ বিধায়ক হুমায়ুন কবির। উচ্চ আদালতকে তিনি বলেছেন, বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার পর থেকে তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। হুমায়ুন বলেছেন যে তিনি রাজ্যের বাইরে থেকে ফোন পাচ্ছেন এবং তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তিনি রাজ্য সরকারের কাছে নিরাপত্তার আবেদন করেছেন। এই আবহে হুমায়ুন কবির বলেন, 'কেন্দ্রীয় সরকার আমাকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য লোক পাঠিয়েছিল। কিন্তু আমি বলেছি, আমি হাইকোর্টে যাব। হাইকোর্ট যদি আমাকে নিরাপত্তা দেয়, সেই মোতাবেক নিরাপত্তা নেব।'

তবে কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিতে কেন অস্বীকার করলেন হুমায়ুন কবির? এই নিয়ে হুমায়ুন বলেন, 'এমনিই শাসকদলের ছোট-বড়-মেজো সবাই বলছে, আমি নাকি বিজেপি দ্বারা প্রভাবিত। এরপর যদি আমি কেন্দ্রের নিরাপত্তা গ্রহণ করি, এরা আরও বলার সুযোগ পেয়ে যাবে। আমার এক ঘনিষ্ঠ শিল্পপতি নিজের দায়িত্বে আমার জন্য নিরাপত্তা দিচ্ছেন। হায়দরাবাদ থেকে ৮ জন এসেছেন।'
প্রসঙ্গত, ৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই একই তারিখে অযোধ্যার বাবরি মসজিদটি কারসেবকরা ভেঙে ফেলেছিলেন ১৯৯২ সালে। এদিকে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জেরে জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে যায়। বাংলা সহ দেশের বহু জায়গা থেকে লোকজন আসে। সৌদি থেকে ধর্মগুরু আসেন। আশেপাশের এলাকা থেকে অনেকেই মাথায় ইট নিয়ে হাজির হয় অনুষ্ঠানে। সেই অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক। তিনি দাবি করেছেন, রাজ্য সরকারের তরফে বাবরি মসজিদ তৈরির ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু তিনি মাথা নোয়াবেন না। প্রয়োজনে শহিদ হয়ে যাবেন। কিন্তু বাবরি মসজিদ তৈরি করেই ছাড়বেন বলে দাবি করেন হুমায়ুন।
মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা বিধায়ক হুমায়ুন কবির এর আগে বলেন যে তিনি কোনও বেআইনি কাজ করেননি। তাঁর বক্তব্য, এ দেশে যদি মন্দির ও গির্জা নির্মাণের স্বাধীনতা থাকে, তাহলে মসজিদ নির্মাণের স্বাধীনতা আছে।' হুমায়ুন বলেন, 'সুপ্রিম কোর্টও স্বীকার করেছে যে হিন্দুরা মসজিদটি ভেঙে দিয়েছে তবে হিন্দুদের অনুভূতির কথা মাথায় রেখে সেখানে মন্দির নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। আমরা দেখেছি যে সাগরদিঘিতে রাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করা হয়েছে। একইভাবে সংবিধানও আমাদের মসজিদ নির্মাণের অধিকার দিয়েছে।'












