Humayun Kabir Suspended: মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ তৈরি করা নিয়ে বিতর্ক, হুমায়ুন কবিরকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল

ফিরহাদ বলেন, 'তিনবার হুমায়ুনকে সতর্ক করা হয়েছিল। আমরা দেখেছি হঠাৎ করে তিনি ঘোষণা করলেন যে বাবরি মসজিদ তৈরি করবেন। হঠাৎ বাবরি মসজিদ কেন? আমরা আগেই তাঁকে সতর্ক করে দিয়েছিলাম। তাই আমাদের দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে সাসপেন্ড করছি।'

Published on: Dec 04, 2025 12:18 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাবরি মসজিদ বিতর্কের মধ্যে দল থেকে সাসপেন্ড করা হল বিধায়ক হুমায়ুন কবির। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে হুমায়ুনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এই নিয়ে ফিরহাদ বলেন, 'তিনবার হুমায়ুনকে সতর্ক করা হয়েছিল। আমরা দেখেছি হঠাৎ করে তিনি ঘোষণা করলেন যে বাবরি মসজিদ তৈরি করবেন। হঠাৎ বাবরি মসজিদ কেন? আমরা আগেই তাঁকে সতর্ক করে দিয়েছিলাম। তাই আমাদের দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে সাসপেন্ড করছি।' এদিকে এনডিটিভির রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের বাবরি মসজিদ তৈরির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে হুমায়ুনকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল
শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে হুমায়ুনকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল

উল্লেখ্য, ৬ ডিসেম্বর বেলডাঙাতে বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন। তবে ভরতপুরের বিধায়কের অভিযোগ, জমি পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসন অসহযোগিতা করছে। এই আবহে হুমায়ুনের আঙুল বেলডাঙার এসডিপিও উত্তম গড়াইয়ের দিকে। এই আবহে মুর্শিদাবাদের জেলার পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধেও হুমকি দিয়েছেন হুমায়ুন। তিনি পুলিশ ও প্রশাসনকে 'আরএসএসের দালাল' বলে অভিযোগ করেন। হুমায়ুন বলেন, 'আমার চ্যালেঞ্জ ৬ তারিখে রেজিনগর থেকে বহরমপুর পর্যন্ত জাতীয় সড়ক আমার দখলে থাকবে। মুসলিমদের দখলে থাকবে।'

এদিকে আগামী ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিন সংহতি দিবসের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা উপস্থিত থাকবেন। তবে সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাবেন না ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক। তার বদলে তিনি মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের শিলান্যাসের আয়োজন করতে চান। তাঁর দাবি ছিল, ২ লক্ষ লোক সেই অনুষ্ঠানে থাকার কথা। হুয়ামুন বলেছিলেন, শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, উত্তরবঙ্গ এমনকী বীরভূম থেকেও প্রচুর মানুষ আসবেন। আব্বাস সিদ্দিকিকেও আমন্ত্রণ জানানোর কথা বলেছিলেন। এছাড়াও দিল্লি, কলকাতা, মুম্বই থেকে আসবেন অনেকে। মদিনা থেকেও ধর্মগুরু আসার কথা। এই আবহে হুমায়নের জন্য যদি রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে তাহলে পদক্ষেপ করতে হবে বলে নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল। হুমায়ুনকে এর জন্য আগাম গ্রেফতার করতে বলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্য সরকারকে এই মর্মে চিঠি লেখেন রাজ্যপাল।