তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অব্যবহৃত অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ৫৫ লাখ টাকা হাওয়া করে দিল জালিয়াতরা। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই অভিযোগ দায়ের করেছেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। তৃণমূল নেতার অভিযোগের ভিত্তিতে লালবাজার তদন্ত শুরু করেছে এই ঘটনার। রিপোর্ট অনুযায়ী, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার হাইকোর্টে থাকা বিধানসভার উপশাখায় কল্যাণের একটি অব্যবহৃত অ্যাকাউন্ট ছিল। সেই ডরম্যান্ট অ্যাকাউন্ট থেকে জালিয়াতরা কেওয়াইসি চুরি করে। পরে সেই কেওয়াইসি ব্যবহার করে ডরম্যান্ট অ্যাকাউন্টটিকে চালু করা হয়। এরপর সেই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৬৫ লাখ টাকা হাওয়া করে দেয় জালিয়াতরা।
New Delhi: TMC MP Kalyan Banerjee speaks with the media during the Monsoon session of Parliament, in New Delhi, Monday, Aug. 18, 2025. (PTI Photo/Ravi Choudhary)(PTI08_18_2025_000062A) (PTI)
শ্রীরামপুরের সাংসদ হওয়ার আগে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক ছিলেন কল্যাণ। সেই সময় অন্যান্য বিধায়কদের সঙ্গে কল্যাণেরও একটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল হাইকোর্টে অবস্থিত এসবিআইয়ের বিধানসভা উপশাখায়। এরপর কল্যাণ সাংসদ হওয়ার পরে এই অ্যাকাউন্টে লেনদেন হয় না। এর জেরে অ্যাকাউন্টটি ‘ডরম্যান্ট’ হয়ে যায়। এদিকে কল্যাণের এসবিআইয়ে মূল অ্যাকাউন্ট রয়েছে কালীঘাট শাখায়। সেই ডরম্যান্ট অ্যাকাউন্টের তথ্য হাতিয়ে কালীঘাটের অ্যাকাউন্ট থেকে কল্যাণের ৫৫ লাখ টাকা হাওয়া করে দেয় জালিয়াতরা।
জানা গিয়েছে, প্রথমে ডর্ম্যান্ট অ্যাকাউন্টটি চালু করা হয়। তারপর কালীঘাটের অ্যাকাউন্ট থেকে সেই হাইকোর্টের অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করা হয়। তারপর সেখান থেকে পুরো টাকা তুলে নেয় জালিয়াতরা। তারপর তিনি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়েই কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগ তদন্তে নেমেছে। পুলিশে আস্থা রাখার কথা জানিয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এই ক্ষেত্রেও বিজেপিকে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল নেতা। তিনি বলেন, 'ব্যাঙ্কে টাকা রাখলে অপরাধীরা নেবে আর বাড়িতে টাকা রাখলে নরেন্দ্র মোদী নেবে।'
News/Bengal/Kalyan Banerjee's ₹55 Lakh Scammed: দীর্ঘদিন অচল থাকা অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে কল্যাণের ৫৫ লাখ টাকা হাওয়া করল জালিয়াতরা