Kartik Maharaj on Humayun & Babri Masjid: মুর্শিদাবাদে 'বাবরি মসজিদ' তৈরি করবেন হুমায়ুন, কী বলছেন কার্তিক মহারাজ?

৬ ডিসেম্বর বেলডাঙাতে বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন। এই নিয়ে বিতর্ক শুরু হতেই তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে ভরতপুরের বিধায়ককে। এই আবহে হুমায়ুনের 'বাবরি মসজিদ' নিয়ে কী বললেন কার্তিক মহারাজ?

Published on: Dec 05, 2025 7:42 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

মুর্শিদাবাদের বেলডঙায় বাবরি মসজিদ তৈরি করার বিষয়ে অনড় বিধায়ক হুমায়ুন কবির। এর জন্য দল থেকেও সাসপেন্ড হয়েছেন তিনি। তবে তাতেও নিজের অবস্থান বদল করেননি ভরতবপুরের বিধায়ক। এই আবহে কী বলছেন পদ্মশ্রী প্রাপ্ত কার্তিক মহারাজ? একটি খবরের চ্যানেলকে এই বিষয়ে কার্তিক মহারাজ বলেন, 'মন্দির-মসজিদ নিয়ে আমার কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু এই বাবরি মসজিদ নামটায় আপত্তি রয়েছে। এর সঙ্গে অনেক বিতর্ক, ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। তাই সেটা বাদ দিয়ে করলে ভালো হত।'

হুমায়ুনের 'বাবরি মসজিদ' নিয়ে কী বললেন কার্তিক মহারাজ?
হুমায়ুনের 'বাবরি মসজিদ' নিয়ে কী বললেন কার্তিক মহারাজ?

এদিকে হুমায়ুন প্রসঙ্গে কার্তিক মহারাজ বলেন, 'উনি তৃণমূলে ছিলেন। বিজেপিতেও এসেছিলেন। মানুষ হিসাবে আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। হুমায়ুন যখন ৩০ শতাংশ, ৭০ শতাংশ বলেছিলেন, তখনই দলনেত্রীর উচিত ছিল বুঝিয়ে দেওয়া। মুসলিমদের দেশ থেকে হিন্দুরা তাড়িয়ে দেবে কিংবা মুসলিমরাও যদি বলে যে তারা হিন্দু তাড়াবে, এই সব এখন অবাস্তব।'

উল্লেখ্য, ৬ ডিসেম্বর বেলডাঙাতে বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন। তবে ভরতপুরের বিধায়কের অভিযোগ, জমি পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসন অসহযোগিতা করছে। এই আবহে হুমায়ুনের আঙুল বেলডাঙার এসডিপিও উত্তম গড়াইয়ের দিকে ছিল। এই আবহে মুর্শিদাবাদের জেলার পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধেও হুমকি দিয়েছেন হুমায়ুন। তিনি পুলিশ ও প্রশাসনকে 'আরএসএসের দালাল' বলে অভিযোগ করেন। হুমায়ুন বলেন, 'আমার চ্যালেঞ্জ ৬ তারিখে রেজিনগর থেকে বহরমপুর পর্যন্ত জাতীয় সড়ক আমার দখলে থাকবে। মুসলিমদের দখলে থাকবে।' এই সব বিতর্কের মাঝে ৪ ডিসেম্বর হুমায়ুনকে সাসপেন্ড করে তৃণমূল কংগ্রেস। যখন এই ঘোষণা হয়, তখন হুমায়ুন বহরমপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাস্থলে ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিন সংহতি দিবসের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা উপস্থিত থাকবেন। তবে সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাবেন না বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক। তিনি সেদিন মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের শিলান্যাসের আয়োজন করবেন বলে জানিয়েছিলেন। যাতে অস্বস্তি বেড়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। হুমায়ুনের দাবি, ২ লক্ষ লোক সেই অনুষ্ঠানে থাকার কথা। হুয়ামুন বলেছিলেন, শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, উত্তরবঙ্গ এমনকী বীরভূম থেকেও প্রচুর মানুষ আসবেন। এই আবহে তৃণমূলের তরফ থেকে ফিরহাদ হাকিম গতকাল বলেন, 'ধর্ম নিয়ে রাজনীতি যারা করে, তাদের সঙ্গে দল কোনও সম্পর্ক রাখবে না।'