KLO Jiban Singh on Mamata: কোচবিহারে মমতার সভা বয়কটের ডাক কেএলও নেতা জীবন সিংয়ের, কী বলল তৃণমূল?

আগামী ৯ ডিসেম্বর কোচবিহারে সভা করার কথা মুখ্যমন্ত্রীর। এই আবহে নিজের গোপন ডেরা থেকে ভিডিয়ো বার্তায় মমতার সভা বয়কটের ডাক দেন জীবন। নিজের বার্তায় কেএলও নেতা বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৃথক কামতাপুর রাজ্যের বিরোধিতা করেন। তাই রাজবংশী সম্প্রদায়ের কেউ তাঁর সভায় যাবেন না।'

Published on: Dec 05, 2025 11:02 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

কোচবিহারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা বয়কটের জন্য রাজবংশীদের বার্তা দিলেন কেএলও নেতা জীবন সিং। উল্লেখ্য, আগামী ৯ ডিসেম্বর কোচবিহারে সভা করার কথা মুখ্যমন্ত্রীর। এই আবহে নিজের গোপন ডেরা থেকে ভিডিয়ো বার্তায় মমতার সভা বয়কটের ডাক দেন জীবন। নিজের বার্তায় কেএলও নেতা বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৃথক কামতাপুর রাজ্যের বিরোধিতা করেন। তাই রাজবংশী সম্প্রদায়ের কেউ তাঁর সভায় যাবেন না।'

কোচবিহারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা বয়কটের জন্য রাজবংশীদের বার্তা দিলেন কেএলও নেতা জীবন সিং।
কোচবিহারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা বয়কটের জন্য রাজবংশীদের বার্তা দিলেন কেএলও নেতা জীবন সিং।

১৯৯৫ সালে তৈরি হয়েছিল কেএলও। কামতাপুরি স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চালাচ্ছে জীবনের কেএলও। একটা সময় ভুটানের জঙ্গলে লুকিয়ে থাকত কেএলও-র সশস্ত্র জঙ্গিরা। তবে বিগত বছরগুলিতে সেই সংগঠন ভেঙে গিয়েছে। ভুটানের জঙ্গলে সেনা অভিযান পর্যন্ত চালানো হয়েছিল কেএলও-কে ছত্রভঙ্গ করতে। এই আবহে জীবন সিংয়ের বহু সঙ্গী আত্মসমর্পণ করেছেন। তবে জীবন এখনও অধরা। গোপনে থেকেই বিভিন্ন সময় বার্তা দেয় সে।

এহেন জীবনের হুমকিকে পাত্তা দিতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের মুখপাত্র পার্থপ্রতিম রায় বলেন, 'জীবনের এই ধরনের মন্তব্যের কোন গুরুত্ব আছে বলে আমরা মনে করি না। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় এক বছর পর জনসভা করতে কোচবিহারে আসছেন। কোচবিহারের মানুষ অত্যন্ত আনন্দিত এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই জনসভার অপেক্ষায় রয়েছেন। তাঁর বক্তব্য শোনার জন্য মানুষ আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন। মমতা এমন একজন মুখ্যমন্ত্রী, যিনি রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য বহু কর্মসূচি রূপায়িত করেছেন। রাজবংশী, কামতাপুরী ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া, আত্মসমর্পণ করা কেএলও-দের হোম গার্ডে চাকরি দেওয়া, রাজবংশী, কামতাপুরী ভাষা অ্যাকাডেমি গঠন, মনীষী পঞ্চানন বর্মনের নামে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন-সহ রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষের সার্বিক উন্নয়নের জন্য বহু কর্মসূচি রূপায়িত করেছেন।'