Kolkata Airport Mosque Controversy: কলকাতা বিমানবন্দরে রানওয়ের পাশে থাকা মসজিদ নিয়ে প্রশ্ন শমীকের, কী বলল কেন্দ্র?

অমিত মালব্য একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এই প্রসঙ্গে লেখেন, 'অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক স্বীকার করেছে যে কলকাতা বিমানবন্দরের দ্বিতীয় রানওয়ের কাছে একটি মসজিদ অবস্থিত আছে। এটি নিরাপদ বিমান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে। তোষণ নীতির জন্য যাত্রীদের নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করা যেতে পারে না।'

Published on: Dec 04, 2025 9:54 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

কলকাতার নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দ্বিতীয় রানওয়ের মাত্র ৩০০ মিটার দূরেই অবস্থিত একটি মসজিদ। সেই মসজিদ নিয়ে বিতর্ক বহু বছর ধরেই। নতুন করে সেই বিতর্ক ফের মাথাচাড়া দিল। রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা রাজ্যসভা সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য সম্প্রতি কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রককে এই মসজিদ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন সংসদে। যাত্রী নিরাপত্তা এবং বিমানবন্দরের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে সেই মসজিদের অবস্থান প্রসঙ্গে প্রশ্নটি করেছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। এই আবহে কেন্দ্রীয় সরকার নাকি স্বীকার করেছে, বিমান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে এই মসজিদটি।

কলকাতার নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দ্বিতীয় রানওয়ের মাত্র ৩০০ মিটার দূরেই অবস্থিত একটি মসজিদ।
কলকাতার নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দ্বিতীয় রানওয়ের মাত্র ৩০০ মিটার দূরেই অবস্থিত একটি মসজিদ।

বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এই প্রসঙ্গে লেখেন, 'অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক স্বীকার করেছে যে কলকাতা বিমানবন্দরের দ্বিতীয় রানওয়ের কাছে একটি মসজিদ অবস্থিত আছে। এটি নিরাপদ বিমান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে। তোষণ নীতির জন্য যাত্রীদের নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করা যেতে পারে না।' এর আগে শুভেন্দু অধিকারীও এই মসজিদে আপত্তি জানিয়ে সরব হয়েছিলেন। বিজেপি নেতাদের অভিযোগ, বিমানবন্দর সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এটি একটি বড় বাধা।

এর আগে বহুবর মসজিদটি স্থানান্তরিত করার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তাতে রাজি হননি স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়। ২০০৩ সালে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এই মসজিটিকে না সরিয়ে রানওয়ের দিক পরিবর্তন করে দেয়। পরে ২০১৯ সালে এয়ারপোর্ট অথরিটি প্রস্তাব দিয়েছিল, যশোর রোড থেকে মসজিদ পর্যন্ত একটি সুড়ঙ্গ বানানো হোক। সেই সুড়ঙ্গের ওপর দিয়ে ট্যাক্সি ট্র্যাক তৈরি করে তা ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে সেই প্রস্তাব খারিজ হয়ে যায়। ২০২৩ সালে এয়ারপোর্ট অথরিটি একটি বাস পরিষেবা চালু করে মসজিদ পর্যন্ত। বিমানবন্দরের ভিতরে ২২৫ মিটারের পথ ব্যবহার করে মসজিদে প্রবেশ করতে পারেন স্থানীয় মুসলিমরা। সেই বাস ট্যাক্সিওয়ে পার হয়ে যায় মসজিদে।