Dilip Ghosh: খড়গপুরে সক্রিয় দিলীপ ঘোষ, তাঁর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ সংখ্যালঘুদের
দিলীপ ঘোষের হাত ধরেই বিজেপিতে যোগদান করেছেন একাধিক সংখ্যালঘু মহিলা। এই আবহে পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর শহরে তৈরি হল সংখ্যালঘুদের কমিটি। খড়গপুর শহরের এক নম্বর মন্ডলে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে ইতিমধ্যেই নয়া দল গঠনের ঘোষণা করেছেন বিধায়ক হুমায়ুন কবির। এদিকে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় ক্রমেই শক্তি বাড়াচ্ছে এআইএমআইএম। আর এরই মাঝে দক্ষিণবঙ্গে খড়গপুরে এবার বিজেপিতে যোগদান সংখ্যালঘুদের। রিপোর্ট অনুযায়ী, দিলীপ ঘোষের হাত ধরেই বিজেপিতে যোগদান করেছেন একাধিক সংখ্যালঘু মহিলা। এই আবহে পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর শহরে তৈরি হল সংখ্যালঘুদের কমিটি। খড়গপুর শহরের এক নম্বর মন্ডলে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সকল রাজনৈতিক দলের নজরই যেন সংখ্যালঘু ভোটের দিকে। বিগত দেড় দশক ধরে সংখ্যালঘু ভোটের একটা বড় অংশ তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক ছিল বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাম-কংগ্রেসের থেকে আরও বড় অংশে মুসলিমরা তৃণমূলের দিকে ঝুঁকেছিল। বাংলার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলাগুলিতে তৃণমূল কংগ্রেস দুর্দান্ত ফল করেছিল। তবে ২০২৬ সালে সেই সমীকরণ বদলাতে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
এই সবের মাঝেই খড়গপুর শহরের এক নম্বর মণ্ডলের বেশ কিছু সংখ্যালঘু ভোটার দিলীপের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন। দিলীপ জানান, খড়গপুরের এক নং মণ্ডলের একাধিক ওয়ার্ড সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। সেখানে বিজেপি ভোট পেত না বলে মেনে নেন দিলীপ ঘোষ। এমনকী বিজেপির সেই সব ওয়ার্ডগুলিতে কোনও বুথ কমিটি বা বিএলএ ছিল না। তবে সেখান থেকেই এবার বেশ কিছু সংখ্যালঘু পরিবারের পদ্ম শিবিরে যোগ। যা নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, 'মুসলিমরাও বুঝেছে বিজেপিই বিকল্প।' এদিকে খড়গপুরে দিলীপ ঘোষের এই সক্রিয়তা নিয়ে আলাদা জল্পনাও তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি হিরণের বদলে খড়গপুর থেকে দিলীপ ঘোষ টিকিট পাবেন আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে?
এদিকে বিজেপিতে সংখ্যালঘুদের যোগদান নিয়ে দিলীপ ঘোষ নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন, ‘খড়গপুরের ১৬ নং ওয়ার্ডের মালঞ্চ এলাকায় আয়োজিত পরিবর্তন সভায় তৃণমূলের দুর্নীতি, প্রশাসনিক ব্যর্থতার প্রতিবাদে ২০টি সংখ্যালঘু পরিবার বিজেপিতে যোগদান করলেন। যাঁরা দেশকে ভালোবাসেন, যাঁরা এই রাজ্যটাকে ভালোবাসেন তাঁরা কখনও তৃণমূলকে সমর্থন করতে পারবেন না। আজ ভারতবর্ষের কোণায় কোণায় বাঙালিরা হোটেল বয়, বেয়ারা, রাঁধুনি, মুটে, মজুরদের কাজ করতে যাচ্ছে। অথচ আগে এই রাজ্যে পড়াশুনা করে বাঙালিরা প্রফেসর হতেন বিভিন্ন রাজ্যে, উচ্চ পদে আধিকারিকের কাজ করতেন। যে বাংলা একসময় শিক্ষা, সংস্কৃতি, শিল্প, ক্রীড়া, জ্ঞান, বিজ্ঞান সবেতে দেশকে পথ দেখাতো সেই বাংলা এখন লেবার সরবরাহের হাবে পরিণত হয়েছে। চারিদিকে অরাজকতা, অব্যবস্থা, নারীদের সুরক্ষা তলানিতে। এই অবস্থার পরিবর্তন চাই।’












