Siddiqulla to Humayun on Babri Masjid: 'জেদের বশে মসজিদ করা যায় না', বাবরি নিয়ে হুমায়ুনকে কড়া বার্তা সিদ্দিকুল্লার

সিদ্দিকুল্লা বলেন, 'রাজনৈতিক কারণে কোনও মসজিদ করা ঠিক নয়। কেবলমাত্র জেদের বশে এভাবে মসজিদ তৈরি করা যায় না। আল্লার জন্য মসজিদ করা হলে ভবিষ্যৎ বলবে। হলে মসজিদই হবে, রাজনীতির আখড়া নয়।'

Published on: Dec 06, 2025 10:08 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

আজ মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় অনুষ্ঠিত হবে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের অনুষ্ঠান। এই বাবিরি মসজিদ নিয়ে তৃণমূলের থেকে সদ্য সাসপেন্ড হওয়া হুমায়ুনকে কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দের নেতা সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। তাঁর কথায়, 'রাজনৈতিক কারণে কোনও মসজিদ করা ঠিক নয়। কেবলমাত্র জেদের বশে এভাবে মসজিদ তৈরি করা যায় না। আল্লার জন্য মসজিদ করা হলে ভবিষ্যৎ বলবে। হলে মসজিদই হবে, রাজনীতির আখড়া নয়।'

বাবিরি মসজিদ নিয়ে হুমায়ুনকে কড়া বার্তা সিদ্দিকুল্লার
বাবিরি মসজিদ নিয়ে হুমায়ুনকে কড়া বার্তা সিদ্দিকুল্লার

এদিকে রাজ্যের মুসলিমদের উদ্দেশে সিদ্দিকুল্লা সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, 'গা ভাসিয়ে দেবেন না। আইন যেন কেউ হাতে না নেয়। দলে আরও আগে ভাবা উচিৎ ছিল। দলকে ভাবতে হবে, পরে যেন কিছু না হয়।' এদিকে সিদ্দিকুল্লা এই মসজিদের সঙ্গে রাজনীতির যোগ খুঁজে পেলেও অন্য সুর হুমায়ুনের গলায়। হুমায়ুনের কথায়, 'অনুষ্ঠানে কোনও বক্তৃতা থাকবে না, কোনও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব থাকবে না, কোনও দলীয় পতাকা থাকবে না, কোনও রাজনৈতিক বাগাড়ম্বর থাকবে না।'

এদিকে, তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার একদিন পরই বিধায়ক কবীরকে রেজিনগর থানায় ডেকে পাঠানো হয়। সেখানে তাঁকে কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বিতর্কের মাঝেও হুমায়ুন কবির দিনভর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করে যান। তিনি তাঁর দলকে অতিথিদের জন্য ৩০ হাজার বিরিয়ানি প্যাকেট প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের কয়েকজন এবং অল বেঙ্গল ইমাম মুয়েজ্জিন অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সাথেও দেখা করেন। এদিকে আজকের অনুষ্ঠানে ২ হাজার স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে উপস্থিত থাকবেন বলে জানান হুমায়ুন।

হুমায়ুনের এই মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান হওয়ার আট মাস আগেই ওয়াকফ (সংশোধনী) আইনের প্রতিবাদে এই মুর্শিদাবাদেই ছড়িয়ে পড়েছিল সাম্প্রদায়িক সহিংসতা। এই প্রেক্ষাপটে প্রশাসন নিরাপত্তার ব্যাপারে সম্পূর্ণভাবে সতর্ক। সিআইএসএফের ১৯টি কোম্পানি ইতিমধ্যে এই অঞ্চলে উপস্থিত রয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে ব়্যাফের ইউনিট সহ ৩৫০০ জন পুলিশকর্মী রেজিনগর এবং আশেপাশের অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছে। ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের সুরক্ষার জন্য বিএসএফের দুটি কোম্পানি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এদিকে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বসু বাংলার জনগণকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন এবং উস্কানিমূলক বক্তব্য ও গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি লোক ভবনে একটি 'অ্যাক্সেস পয়েন্ট সেল' স্থাপন করার নির্দেশ দিয়েছেন। এর নেতৃত্ব দেবেন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার এসকে পট্টনায়েক। কোনও অশান্তি হলে তার ওপর নজর রাখবে এই সেল।