SSC Group C & D Tainted Full List: গ্রুপ সি ও ডি–র দাগিদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ SSC-র, দেখুন ১০৪ পাতার গোটা তালিকা
এসএসসি-র প্রকাশিত তালিকায় নাম রয়েছে মোট ৩৫১২ জনের। আদালতের নির্দেশ মেনে রোল নম্বর, পোস্ট, অভিভাবকের নাম, জন্মতারিখ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে এই তালিকায়।
অবশেষে গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি–র দাগি শিক্ষাকর্মীদের সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। এসএসসি-র প্রকাশিত তালিকায় নাম রয়েছে মোট ৩৫১২ জনের। আদালতের নির্দেশ মেনে রোল নম্বর, পোস্ট, অভিভাবকের নাম, জন্মতারিখ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে এই তালিকায়। প্রসঙ্গত, এর আগেও ‘দাগি’ শিক্ষাকর্মীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে তাতে দাগি শিক্ষাকর্মীদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য ছিল না। এই আবহে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, দাগি গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি কর্মীদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সহ তালিকা প্রকাশ করতে হবে। হাইকোর্টের চাপের মুখেই শেষ পর্যন্ত এই তালিকা প্রকাশ করতে বাধ্য হল এসএসসি।

দেখুন গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি-র দাগিদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা:
উল্লেখ্য, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দিয়েছিলেন, ২০১৬ সালের নিয়োগে যাঁরা কমিশনের সুপারিশে চাকরি পেয়েছেন এবং পরে ‘দাগি’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন, তাঁদের বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করতেই হবে। এই আবহে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের কাছে জমা দেওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে এই 'দাগি' শিক্ষাকর্মীদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এতে গ্রুপ ডি-তে প্রায় ২৩০০ জন প্রার্থীকে ‘অযোগ্য’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গ্রুপ সি-র প্রায় ১১০০ জন প্রার্থী এই তালিকায় রয়েছেন। মোট ১০৪ পাতার তালিকয় এই সকল দাগি শিক্ষাকর্মীর নাম রয়েছে। এর আগে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগেও পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন।
এর আগে দাগিদের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল, তাতে শুধু শিক্ষাকর্মীদের নাম ও রোল নম্বর ছিল। তবে সেই তালিকার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামকারীদের যুক্তি ছিল, রাজ্যে একই নামের বহু ব্যক্তি থাকতে পারেন। এই তালিকায় তাই বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে। শুধু নাম ও রোল নম্বর দিয়ে কোনও ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা যায় না। এই আবহে হাইকোর্টও পর্যবেক্ষণে বলে, এভাবে কারও পরিচয় শনাক্ত করা যাবে না। হাইকোর্টের বক্তব্য ছিল, ২০১৬ এবং ২০২৫ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া এক ব্যক্তির রোল নম্বর ভিন্ন। এই আবহে শুধু নাম দিয়ে পরিচয় নির্ধারণ সম্ভব নয়। আদালতের আরও পর্যবেক্ষণ ছিল, ওএমআর শিটে অমিল, র্যাঙ্ক জাম্পিং, প্যানেল বহির্ভূত নিয়োগ- সহ বহু দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। ফলে কারা দাগি, তা পূর্ণাঙ্গভাবে জানানো জরুরি। সেই নির্দেশ অনুযায়ী, তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন।












