SSC Recruitment Case Update: এই তালিকা প্রকাশ করতে চাই না! হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গেল SSC
এসএসসি গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি'র 'যোগ্য' প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করল স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)।
এসএসসি গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি'র 'যোগ্য' প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করল স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)। আসলে 'যোগ্য' প্রার্থী বলতে ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চিহ্নিত 'দাগি'-র ছাড়া যাঁরা আছেন, তাঁদের নাম প্রকাশ করতে বলেছিল হাইকোর্ট। সেজন্য ৮ ডিসেম্বরের ডেডলাইনও বেঁধে দিয়েছিল। আর সেই ডেডলাইন শেষ হওয়ার আগেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল কমিশন। এমনিতে ইতিমধ্যে এসএসসি গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি'র চিহ্নিত 'দাগি'-দের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

সোমবার প্রকাশিত হতে পারে নবম-দশমের ভেরিফিকেশনের তালিকা
এমনিতে সোমবার নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের ভেরিফিকেশনের তালিকা প্রকাশিত হতে পারে। ইতিমধ্যে ফলপ্রকাশ করা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ভেরিফিকেশনে কারা ডাক পাচ্ছেন, তা এখনও প্রকাশ করা হয়নি। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সহকারী শিক্ষকের ক্ষেত্রে যে অস্বস্তির মুখে পড়তে হয়েছে, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে নবম-দশমের পরীক্ষার ভেরিফিকেশন তালিকা প্রকাশের ক্ষেত্রে কিছুটা ধীরে চলো নীতি নিয়েছে কমিশন। আপাতত একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ইন্টারভিউ ও ডেমোস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চলছে। শেষ হয়ে গিয়েছে ভেরিফিকেশন।
২০১৬ সালের পুরো প্যানেলই বাতিল থাকছে
উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগে এসএসসি) মামলার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে যে ২০১৬ সালের পুরো প্যানেলই বাতিল থাকবে। সোমবার ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, গত বছর এপ্রিলে যে রায় দিয়েছিল শীর্ষ আদালত, সেটাই বহাল রাখা হচ্ছে। ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল বাতিল করে দেওয়ার সিদ্ধান্তে যে অনেক ভালো পড়ুয়ার উপরেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা শীর্ষ আদালত মেনে নিয়েছে। কিন্তু রায় পরিবর্তন করা হচ্ছে না। অর্থাৎ প্রায় ২৬,০০০ চাকরিই বাতিলের রায় বহাল থাকছে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সেইসঙ্গে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, যাঁরা ভালো পড়ুয়া, তাঁরা আবার ঠিক চাকরি পেয়ে যাবেন।
আর্জি খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট
এমনিতে প্রাথমিকভাবে ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছিল। কিন্তু যোগ্য এবং অযোগ্য আলাদা করা না যাওয়ায় শীর্ষ আদালতও পুরো প্যানেল বাতিলের নির্দেশ দেয়। সেই রায় পুনর্বিবেচনা করার আর্জি জানানো হয়। মামলাকারীরা দাবি করেন, নয়া নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনেক যোগ্য প্রার্থী বঞ্চিত হয়েছেন। সুযোগ পাননি অনেক যোগ্য প্রার্থীই। সেই পরিস্থিতিতে সেইসঙ্গে এসএসসি যে নয়া নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপরে স্থগিতাদেশ জারি করারও আর্জি জানান মামলাকারীরা। যদিও সেই আর্জি খারিজ করে দিল ভারতের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।












