Sunali Khatun Comes to India from Bangladesh: ৬ মাস পর বাংলাদেশ থেকে বীরভূমে গেলেন ৯ মাসের গর্ভবতী সোনালি খাতুন

জুলাই মাসে দিল্লি থেকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে সোনালি সহ ৬ জনকে ধরেছিল পুলিশ। পরে অসম সীমান্ত দিয়ে তাঁদের পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশে। এই ঘটনার সময় সোনালি গর্ভবতী ছিলেন।

Published on: Dec 06, 2025 10:46 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ থেকে বীরভূমে ফিরলেন সোনালি খাতুন এবং তাঁর ৮ বছরের ছেলে। এর আগে জুলাই মাসে দিল্লি থেকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে সোনালি সহ ৬ জনকে ধরেছিল পুলিশ। পরে অসম সীমান্ত দিয়ে তাঁদের পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশে। এই ঘটনার সময় সোনালি গর্ভবতী ছিলেন। এই আবহে 'মানবিকতার খাতিরে' আপাতত সোনালিকে বীরভূমে ফিরিয়ে নিয়ে আসার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সোনালির চিকিৎসার দায়িত্বও সরকারকে নিতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে বীরভূমে ফিরলেন সোনালি খাতুন এবং তাঁর ৮ বছরের ছেলে।
বাংলাদেশ থেকে বীরভূমে ফিরলেন সোনালি খাতুন এবং তাঁর ৮ বছরের ছেলে।

এই আবহে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে সোনালিকে ভারতে নিয়ে আসতে সম্মত হয় কেন্দ্রীয় সরকার। সেই মতো শুক্রবার মালদার মহদীপুর সীমান্ত দিয়ে সোনালিকে ভারতে নিয়ে আসা হয়। এই আবহে ৬ মাস পর বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছেন সোনালি। বর্তমানে তিনি ন’মাসের অন্তঃস্বত্ত্বা। সোনালি ফিরে আসতে তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে কেন্দ্রীয় সরকারকে তোপ দাগেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সমিরুল ইসলাম।

সমিরুল লেখেন, 'অবশেষে, বাংলা-বিরোধী জমিদারদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর সোনালী খাতুন এবং তাঁর নাবালক পুত্র ভারতে ফিরে এসেছেন। এই দিনটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে স্মরণ করা হবে। আজকের দিনে দরিদ্র বাঙালিদের উপর নির্যাতন ও অত্যাচারের পর্দা উন্মোচন করা হল। বাংলাদেশে যখন সোনালিকে জোরপূর্বক পাঠানো হয়েছিল, সেই সময় তিনি গর্ভবতী ছিলেন। ছয় মাস অকল্পনীয় যন্ত্রণা সহ্য করার পর তিনি এবং তাঁর সন্তান অবশেষে তাঁদের স্বদেশে ফিরে এসেছেন। এটাও উল্লেখ করতে হবে যে, মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ সত্ত্বেও দরিদ্র-বিরোধী কেন্দ্রীয় সরকার গত দুই দিনে সোনালিদের ফেরাতে কোনও পদক্ষেপ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলস্বরূপ আমাদের আইনজীবীরা আজ সুপ্রিম কোর্টের সামনে আবারও বিষয়টি উল্লেখ করতে বাধ্য হন। এরপরই সোনালিদের প্রত্যাবর্তন সম্ভব হয়েছিল।'

উল্লেখ্য, সোনালি কাজ করতেন দিল্লিতে। সোনালিকে ‘বাংলাদেশি’ হিসেবে চিহ্নিত করে দিল্লি পুলিশ। এরপর সোনালি এবং তাঁর ৮ বছরের ছেলেকে অসম সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠায় বিএসএফ। এই আবহে বিগত বেশ কয়েক মাস ধকে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছিলেন সোনালি খাতুন এবং তাঁর সন্তান। বাংলাদেশের আদালত মুক্তি দিয়েছিল সোনালিদের। এই আবহে সোনালিকে ভারতে ফেরাতে সরব হয়েছিলেন তৃণমূল রাজ্যসভার সাংসদ সমিরুল ইসলাম।