Sunali Khatun Latest Update: বাংলাদেশে কষ্টে ছিলেন, 'অত্যাচার' করে দিল্লি পুলিশ, ভারতে এসে দাবি গর্ভবতী সোনালির
সোনালি বলেন, 'বাংলাদেশে খুব কষ্টে ছিলাম। ভারতে ফিরে আসতে পেরে সত্যিই ধন্য। ৮ মাসের ওপরে বাংলাদেশের ছিলাম। দিল্লি পুলিশ আমাদের ওপর অমানবিক অত্যাচার করেছিল। আমরা অনেক অনুরোধ করেছিলাম। তারপরও আমাদেরকে বিএসএফকে দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হল।'
গতকালই বাংলাদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন অন্তঃসত্ত্বা সোনালি খাতুন এবং তাঁর ৮ বছরের নাবালক সন্তান। তবে তাঁর স্বামী ফিরতে পারেননি ভারতে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে 'মানবিকতার খাতিরে' শুধুমত্র সোনালি এবং তাঁর ছেলেকেই ফেরানো হয়েছে। এই আবহে ভারতে ফিরে সোনালি দাবি করলেন, বাংলাদেশে তিনি অত্যাচারের শিকার হয়েছিলেন। সোনালি বলেন, 'ফিরে এলাম। বাংলাদেশে খুব কষ্টে ছিলাম। ভারতে ফিরে আসতে পেরে সত্যিই ধন্য। ৮ মাসের ওপরে বাংলাদেশের ছিলাম।'
গতকালই বাংলাদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন অন্তঃসত্ত্বা সোনালি খাতুন এবং তাঁর ৮ বছরের নাবালক সন্তান।
তিনি আরও বলেন, 'দিল্লি পুলিশ আমাদের ওপর অমানবিক অত্যাচার করেছিল। আমরা অনেক অনুরোধ করেছিলাম। তারপরও আমাদেরকে বিএসএফকে দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হল। মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ। সামিরুল ইসলামকেও ধন্যবাদ জানাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টাকা পাঠিয়ে ছিলেন। বাংলাদেশ পুলিশ কোনও অত্যাচার করেনি। আর কোনও দিন দিল্লি যাব না।'
শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ থেকে বীরভূমে ফিরলেন সোনালি খাতুন এবং তাঁর ৮ বছরের ছেলে। এর আগে জুলাই মাসে দিল্লি থেকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে সোনালি সহ ৬ জনকে ধরেছিল পুলিশ। পরে অসম সীমান্ত দিয়ে তাঁদের পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশে। এই ঘটনার সময় সোনালি গর্ভবতী ছিলেন। এই আবহে 'মানবিকতার খাতিরে' আপাতত সোনালিকে বীরভূমে ফিরিয়ে নিয়ে আসার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সোনালির চিকিৎসার দায়িত্বও সরকারকে নিতে বলা হয়েছে।
এই আবহে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে সোনালিকে ভারতে নিয়ে আসতে সম্মত হয় কেন্দ্রীয় সরকার। সেই মতো শুক্রবার মালদার মহদীপুর সীমান্ত দিয়ে সোনালিকে ভারতে নিয়ে আসা হয়। এই আবহে ৬ মাস পর বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছেন সোনালি। বর্তমানে তিনি ন’মাসের অন্তঃস্বত্ত্বা। সোনালি ফিরে আসতে তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে কেন্দ্রীয় সরকারকে তোপ দাগেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সমিরুল ইসলাম।
উল্লেখ্য, সোনালি কাজ করতেন দিল্লিতে। সোনালিকে ‘বাংলাদেশি’ হিসেবে চিহ্নিত করে দিল্লি পুলিশ। এরপর সোনালি এবং তাঁর ৮ বছরের ছেলেকে অসম সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠায় বিএসএফ। এই আবহে বিগত বেশ কয়েক মাস ধকে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছিলেন সোনালি খাতুন এবং তাঁর সন্তান। বাংলাদেশের আদালত মুক্তি দিয়েছিল সোনালিদের। এই আবহে সোনালিকে ভারতে ফেরাতে সরব হয়েছিলেন তৃণমূল রাজ্যসভার সাংসদ সমিরুল ইসলাম।
News/Bengal/Sunali Khatun Latest Update: বাংলাদেশে কষ্টে ছিলেন, 'অত্যাচার' করে দিল্লি পুলিশ, ভারতে এসে দাবি গর্ভবতী সোনালির