Chicken Patties Row: গীতাপাঠের দিন 'চিকেন' প্যাটিস বিক্রেতাদের 'মারধর', গ্রেফতার সৌমিক-সহ ৩ জন

ব্রিগেডে গীতাপাঠের মধ্যেই প্যাটিস বিক্রেতাদের হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে। এমনকী অভিযোগ উঠেছে যে মারধরও করা হয়েছে। সেই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃত সৌমিক গোলদার আদতে উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙার বাসিন্দা।

Published on: Dec 11, 2025 12:53 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ব্রিগেডে গীতাপাঠের মধ্যেই প্যাটিস বিক্রেতাদের হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে। এমনকী অভিযোগ উঠেছে যে মারধরও করা হয়েছে। সেই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃত সৌমিক গোলদার আদতে উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙার বাসিন্দা। অপর অভিযুক্ত স্বর্ণেন্দু চক্রবর্তীর বাড়ি আবার উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে। আর তৃতীয় অভিযুক্ত তরুণ ভট্টাচার্যের বাড়ি হুগলির উত্তরপাড়ায়। বিষয়টি নিয়ে আপাতত পুলিশ বা প্রশাসনের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে সূত্রের খবর, সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ভিডিয়োগুলি ছড়িয়ে পড়েছিল, সেগুলির ভিত্তিতেই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

ব্রিগেডে প্যাটিস বিক্রেতাদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। (ছবি সৌজন্যে ফেসবুক এবং এক্স)
ব্রিগেডে প্যাটিস বিক্রেতাদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। (ছবি সৌজন্যে ফেসবুক এবং এক্স)

আর সেই ভিডিয়োগুলি গত রবিবার ব্রিগেডে গীতাপাঠের দিনের বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ ওঠে, গীতাপাঠের দিন কেন ব্রিগেডে চিকেন প্যাটিস বিক্রি করা হবে, তা নিয়ে হম্বিতম্বি করা হতে থাকে। দুই বিক্রেতাকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ ওঠে যে একজনকে কান ধরে ওঠবস করতেও বাধ্য করা হয়।

সেই ঘটনার পরে দুই প্যাটিস বিক্রেতা শেখ রিয়াজুল এবং মহম্মদ সালাউদ্দিন অভিযোগ দায়ের করেন ময়দান থানায়। রুজু করা হয় এফআইআর। রিয়াজুল অভিযোগ করেন, রবিবার চিকেন প্যাটিস বিক্রি করার সময় তাঁকে ঘুষি, চড়-থাপ্পড় মারা হয়েছে। তাঁর বাক্সে যে হাজার তিনেক টাকার মতো খাবার ছিল, তাও নষ্ট করে দেওয়া হয়। অন্যদিকে সালাউদ্দিন দাবি করেছেন যে তাঁকেও থাপ্পড় মারা হয়েছে।

এমনিতে ব্রিগেডে গীতাপাঠের মঞ্চ থেকে হিন্দুরাষ্ট্রের ডাক দেওয়া হয়। বাগেশ্বর ধামের ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী বলেন, 'প্রদেশ যখন এক হয়, তখন দেশ তৈরি হয়। তাই বাংলার হিন্দুদের উদ্দেশে আমার বার্তা, আপনারা যখন এক হবেন তখনই ভারত হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত হবে।' এদিকে বাবরি মসজিদ নিয়ে তিনি বলেন, 'যাঁরা এক সময় ভারতে আক্রমণ চালিয়েছিল, তাঁদের নামাঙ্কিত এই দেশে কি কোনও কিছু তৈরি করা উচিত? আমাদের মাথায় রাখতে হবে এটা বাবরের দেশ নয় রঘুবরের দেশ।'

আবার বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, 'আমরা গতকাল (মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন) যা দেখেছি, তাতে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে হিন্দু ভোটকে ভাগ করা এবং মুসলিম ভোটকে এক করার চক্রান্ত চলছে। যা হচ্ছে তার জন্য দায়ী হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই ধরনের সাম্প্রদায়িক শক্তিকে বারবর তোল্লা দিয়ে উপরে তুলেছে। একুশের ভোটে তো মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়কে সিংহভাগ হিন্দু ভোট দেয়নি। হিন্দুরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশ্বাস করে না।'