Humayun Kabir after Suspension: তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থল ছাড়লেন হুমায়ুন, বললেন…

হুমায়ুন বলেন, 'দলের সঙ্গে আর কোনও সম্পর্ক রাখব না। আমাকে জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সভায়। ওঁর সঙ্গে কথা বলব। এভাবে ডেকে অপমান করা হল, তৃণমূলকে পস্তাতে হবে। ২০১৫ সালেও আমাকে ৬ বছরের জন্য বহিষ্কার করেছিল দল। কোনও নোটিশ ছাড়াই। এবারও একই ঘটনা।'

Published on: Dec 04, 2025 1:44 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে হুমায়ুন কবিরকে। আর দল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার কথা জানতে পেরেই মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থল থেকে বেরিয়ে যান হুমায়ুন। উল্লেখ্য, আজ ১১টা নাগাদ বহরমপুরে মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থলে গিয়েছিলেন হুমায়ুন। তবে তিনি সভাস্থলে থাকাকালীনই কলকাতায় ফিরহাদ জানান, শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এদিকে সাসপেন্ড হতেই হুমায়ুন বলেন, 'আমি আগামীকালই বিধায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করব। ২২ ডিসেম্বর নতুন দল ঘোষণা করব। রাজ্যে ১৩৫টি আসনে তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করব।'

দল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার কথা জানতে পেরেই মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থল থেকে বেরিয়ে যান হুমায়ুন।
দল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার কথা জানতে পেরেই মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থল থেকে বেরিয়ে যান হুমায়ুন।

হুমায়ুন বলেন, 'দলের সঙ্গে আর কোনও সম্পর্ক রাখব না। আমাকে জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সভায়। ওঁর সঙ্গে কথা বলব। এভাবে ডেকে অপমান করা হল, তৃণমূলকে পস্তাতে হবে। ২০১৫ সালেও আমাকে ৬ বছরের জন্য বহিষ্কার করেছিল দল। কোনও নোটিশ ছাড়াই। এবারও একই ঘটনা।' এদিকে বেলডাঙার যে বাবরি মসজিদ ঘিরে এত বিতর্ক, সেই প্রসঙ্গে হুমায়ুন বলেন, 'আমার মাথা কেটে নেয় নেবে, আমায় গ্রেফতার করতে হয় করবে, জেলে পুরে দেয় দেবে, কিন্তু বাবরি মসজিদ।'

উল্লেখ্য, ৬ ডিসেম্বর বেলডাঙাতে বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন। তবে ভরতপুরের বিধায়কের অভিযোগ, জমি পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসন অসহযোগিতা করছে। এই আবহে হুমায়ুনের আঙুল বেলডাঙার এসডিপিও উত্তম গড়াইয়ের দিকে। এই আবহে মুর্শিদাবাদের জেলার পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধেও হুমকি দিয়েছেন হুমায়ুন। তিনি পুলিশ ও প্রশাসনকে 'আরএসএসের দালাল' বলে অভিযোগ করেন। হুমায়ুন বলেন, 'আমার চ্যালেঞ্জ ৬ তারিখে রেজিনগর থেকে বহরমপুর পর্যন্ত জাতীয় সড়ক আমার দখলে থাকবে। মুসলিমদের দখলে থাকবে।'

এদিকে আগামী ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিন সংহতি দিবসের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা উপস্থিত থাকবেন। তবে সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাবেন না ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক। তার বদলে তিনি মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের শিলান্যাসের আয়োজন করতে চান। তাঁর দাবি ছিল, ২ লক্ষ লোক সেই অনুষ্ঠানে থাকার কথা। হুয়ামুন বলেছিলেন, শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, উত্তরবঙ্গ এমনকী বীরভূম থেকেও প্রচুর মানুষ আসবেন। আব্বাস সিদ্দিকিকেও আমন্ত্রণ জানানোর কথা বলেছিলেন। এছাড়াও দিল্লি, কলকাতা, মুম্বই থেকে আসবেন অনেকে। মদিনা থেকেও ধর্মগুরু আসার কথা। এই আবহে হুমায়নের জন্য যদি রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে তাহলে পদক্ষেপ করতে হবে বলে নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল। হুমায়ুনকে এর জন্য আগাম গ্রেফতার করতে বলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্য সরকারকে এই মর্মে চিঠি লেখেন রাজ্যপাল।