Hawala Case ED Raid Operation in Rishra: হাওয়ালা চক্রের পর্দা ফাঁস করতে রিষড়ায় হানা ইডির, সকাল থেকে চলছে জেরা-তল্লাশি

রিষড়া পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডে ১৭ নম্বর লক্ষ্মী পল্লি থার্ড লেনের একটি বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে হানা দেন ইডি কর্তারা। মোট ৩টি গাড়ি সেখানে গিয়ে পৌঁছায়। তাতে ছিলেন ৫ জন ইডি আধিকারিক এবং ৬ জন সিআইএসএফ জওয়ান।

Published on: Dec 17, 2025 11:20 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

হাওয়ালা মামলার তদন্তে ইডি হানা রিষড়ায়। রিপোর্টে জানা গিয়েছে, রিষড়া পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডে ১৭ নম্বর লক্ষ্মী পল্লি থার্ড লেনের একটি বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে হানা দেন ইডি কর্তারা। মোট ৩টি গাড়ি সেখানে গিয়ে পৌঁছায়। তাতে ছিলেন ৫ জন ইডি আধিকারিক এবং ৬ জন সিআইএসএফ জওয়ান। সেই বাড়ির বাসিন্দা কৈলাশকুমার বর্মা নাকি হাওয়ালা কারবারের সঙ্গে যুক্ত। গোপনসূত্রে খবর পেয়েই ইডি এই অভিযান চালিয়েছিল।

রিষড়া পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডে ১৭ নম্বর লক্ষ্মী পল্লি থার্ড লেনের একটি বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে হানা দেন ইডি কর্তারা। (প্রতীকী ছবি) (PTI)
রিষড়া পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডে ১৭ নম্বর লক্ষ্মী পল্লি থার্ড লেনের একটি বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে হানা দেন ইডি কর্তারা। (প্রতীকী ছবি) (PTI)

জানা গিয়েছে, আজ সকাল ১০টা পর্যন্ত কৈলাশকুমারের বাড়িতে জেরা চালায় ইডি। কৈলাশকুমারের দুই পুত্রও আছে। এদিকে অপারেশন সিঁদুর এবং দিল্লি বিস্ফোরণের পর থেকেই হাওয়ালা চক্রের পর্দা ফাঁস করতে আরও তৎপর হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরই মধ্যে আবার বিভিন্ন সময় বাংলাতেও নানা দুর্নীতির টাকা হাওয়ালার মাধ্যমেই গিয়েছে বিদেশে। এই পরিস্থিতিতে আজকের এই অভিযান বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পরিবার নিয়ে অনেকদিন ধরেই রিষড়ার সেই অঞ্চলে শ্যামপানা কুঞ্জ নামে বাড়িতে বসবাস করেন কৈলাশকুমার বর্মা। খুব একটা পাড়ার লোকজনদের সঙ্গে মেলামেশা নেই তাদের। তবে এলাকায় নাকি কানাঘুষো ছিল, কৈলাশকুমার হাওয়ালা চক্রের সঙ্গে যুক্ত। এদিকে হুন্ডির মাধ্যমে অবৈধ লেনদেন সম্পর্কিত বেশ কিছু তথ্য ইডির হাতে আসে সম্প্রতি। এই পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালায় ইডি। কৈলাশকুমারের বাড়ি ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। অবশ্য এখনও পর্যন্ত কোনও গ্রেফতারের খবর নেই। অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই এলাকায় চাপা উত্তেজনা ছড়িয়েছে। জেরার পাশাপাশি তল্লাশির চালিয়ে নথিপত্র এবং আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্যও খতিয়ে দেখছেন ইডি কর্তারা। এই সব লেনদেনের পিছনে কোনও বড় বেআইনি চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।