WB SIR Draft Voter List: এনুমারেশন ফর্ম জমা দিলেও নাম নেই খসড়া ভোটার তালিকায়, আজব কাণ্ড দুর্গাপুরে

দুর্গাপুর নগর নিগমের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের নতুনপল্লী এলাকায় অন্তত ১০ জন ভোটারের অভিযোগ, এনুমারেশন ফর্ম জমা দিলেও এসআইআরে খসড়া ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম ওঠেনি। এই আবহে আতঙ্কে আছেন তাঁরা। নিয়ম অনুযায়ী, খসড়া তালিকায় নাম না থাকলেও ফর্ম ৬ ভরে নতুন করে তাঁরা ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারেন।

Published on: Dec 17, 2025 12:56 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

এনুমারেশন ফর্ম যাঁরাই জমা দিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের খসড়া তালিকায় তাঁদের সকলেরই নাম আছে। এমনকি বাংলাদেশি নাগরিক হওয়ার জেরে পঞ্চায়েত প্রধানের দায়িত্ব হারানো লাভলি খাতুনের মতো মানুষেরও নাম আছে তালিকায়। সেখানে দুর্গাপুরে ফর্ম জমা দিলেও নাকি খসড়া তালিকায় নাম ওঠেনি সঞ্জীব মাণ্ডি, শ্রাবণী মাণ্ডি, রাখি বটব্যালের মতো ১০ জন ভোটারের। ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুর নগর নিগমের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের নতুনপল্লী এলাকায়। এই আবহে আতঙ্কে আছেন তাঁরা। নিয়ম অনুযায়ী, খসড়া তালিকায় নাম না থাকলেও ফর্ম ৬ ভরে নতুন করে তাঁরা ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারেন। তবে ফর্ম জমা দিয়েও কেন তাঁদের নাম খসড়া তালিকায় নেই, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই আবহে অভিযোগের তির বিএলও-র দিকে।

দুর্গাপুর নগর নিগমের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের নতুনপল্লী এলাকায় অন্তত ১০ জন ভোটারের অভিযোগ, এনুমারেশন ফর্ম জমা দিলেও এসআইআরে খসড়া ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম ওঠেনি। (PTI)
দুর্গাপুর নগর নিগমের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের নতুনপল্লী এলাকায় অন্তত ১০ জন ভোটারের অভিযোগ, এনুমারেশন ফর্ম জমা দিলেও এসআইআরে খসড়া ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম ওঠেনি। (PTI)

এদিকে রিপোর্ট অনুযায়ী, এসআইআরে হিয়ারিং পর্ব চলবে আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। এর মধ্যেই সব ভোটারকে শুনানিতে ডাকা হবে। হিয়ারিংয়ে থাকবেন ইআরও বা এইআরও। অবশ্য শুনানির ক্ষেত্রে ভোটারদের স্বার্থ দেখা হবে বলে জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানান, উল্লেখিত দিনে কোনও ভোটার যদি শুনানিতে হাজির হতে না পারেন, তা হলে সঙ্গত কারণ দেখালে তাঁকে পরবর্তীতে ফের সময় দেওয়া হবে।

এদিকে প্রকাশিত খসড়া তালিকায় প্রায় ১ কোটি ৬৩ লক্ষ ৫১ হাজার ১৭৩ জন ভোটারের ক্ষেত্রে কোনও না কোনও তথ্যগত অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। তবে টেকনিক্যাল ত্রুটি, বিএলও বা অ্যাপের ভুল বাদ দেওয়ার পর এই সংখ্যা নেমে প্রায় ১ লক্ষ ৩৬ হাজার হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে প্রায় ৫৮ লাখ ভোটারের নাম কাটা পড়েছে খসড়া তালিকা থেকেই। অর্থাৎ, প্রায় ৭.৬ শতাংশ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। নাম বাদ পড়া ভোটারদের অধিকাংশই মৃত, কিছু স্থানান্তরিত, কয়েকজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এছাড়া জমা পড়া ফর্মে অনেক ক্ষেত্রেই নাকি দেখা গিয়েছে, ভোটারের বা এবং মায়ের নাম এক। এই ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, এই ধরনের ভুল হয়ত ডেটা এন্ট্রির সময় অনিচ্ছাকৃত ভাবে হয়েছে। এবং এর জন্য দায়ী বিএলও-রা, ভওটাররা নয়। তবে এছাড়াও বহু ফর্মে বাবা ও সন্তানের বয়সের ফারাক ১৫ বছরের কম। আবার বহু ফর্মে বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের বয়সের ফারাক ৫০ বছর বা তার বেশি, দাদু-দিদার সঙ্গে নাতি-নাতনির বয়সের ফারাক ৪০ বছর বা তার কম। এছাড়া বহু ক্ষেত্রে আবার ভোটারের দেওয়া বাবার নামে গরমিল আছে। ৪৫ বছর বা তার বেশি বয়সে প্রথমবার ভোটার তালিকায় নাম তোলার আবেদন করা ভোটারের সংখ্যাও কয়েক লক্ষ। এই সব অসঙ্গতির কারণে বহু ভোটারের তথ্য যাচাইয়ের পথে হাঁটতে চলেছে কমিশন।