WB SIR Hearing Latest Update: এখনও বাদ ৭.৬% ভোটার, ফর্মে অসামঞ্জস্যের জন্য হিয়ারিংয়ে ডাক ১ কোটির বেশি জনকে?
পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৭.৬ শতাংশ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে এনুমারেশন পর্বের পরে। নাম বাদ পড়া ভোটারদের অধিকাংশই মৃত, কিছু স্থানান্তরিত, কয়েকজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
পশ্চিমবঙ্গে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর)-এর এনুমারেশন পর্বের পর প্রকাশিত হয়েছে খসড়া ভোটার তালিকা। তাতে রাজ্যের ভোটারের সংখ্যা ৭.১ কোটিতে নেমে এসেছে। প্রায় ৫৮ লাখ ভোটারের নাম কাটা পড়েছে খসড়া তালিকা থেকেই। অর্থাৎ, প্রায় ৭.৬ শতাংশ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। নাম বাদ পড়া ভোটারদের অধিকাংশই মৃত, কিছু স্থানান্তরিত, কয়েকজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এদিকে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের মতে, আগের এসআইআর তালিকার সঙ্গে এবারে ২৮ লক্ষ ফর্ম ম্যাপ করা যায়নি। এছাড়া ১.৬৫ কোটি ফর্মে অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছে। এই সবের মধ্যে কিছু আবার টেকনিক্যাল ত্রুটি বা বিএলও এবং অ্যাপের ভুল রয়েছে। এরপরও প্রায় ১ কোটিরও বেশি ভোটারকে নোটিশ দেওয়া হতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। শুনানির সময় এসব ভোটারদের নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে, অন্যথায় তাদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।
এদিকে জেলা পর্যায়ে তালিকাভুক্তির হারের মধ্যে একটি বড় পার্থক্য দেখা গিয়েছে। কলকাতা উত্তরে ২৫.৯ শতাংশ এবং কলকাতা দক্ষিণে ২৩.৮ শতাংশ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, পূর্ব মেদিনীপুরে সর্বনিম্ন ৩.৩ শতাংশ নাম কাটা পড়েছে। এছাড়া পশ্চিম বর্ধমানে ১৩.১ শতাংশ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী বেশিরভাগ জেলায় নাম বাদ পড়ার হার রাজ্যের গড়ের চেয়ে কম ছিল। যদিও এই জেলাগুলিতে 'পিতার নামে অসঙ্গতির' হার বেশি। মালদা, উত্তর দিনাজপুর এবং মুর্শিদাবাদে 'পিতার নামে অসঙ্গতির' হার ১২ থেকে ১৬ শতাংশের মধ্যে রেকর্ড করা হয়েছে।
অনেক ক্ষেত্রেই নাকি দেখা গিয়েছে, ভোটারের বা এবং মায়ের নাম এক। এই ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, এই ধরনের ভুল হয়ত ডেটা এন্ট্রির সময় অনিচ্ছাকৃত ভাবে হয়েছে। এবং এর জন্য দায়ী বিএলও-রা, ভওটাররা নয়। তবে এছাড়াও বহু ফর্মে বাবা ও সন্তানের বয়সের ফারাক ১৫ বছরের কম। আবার বহু ফর্মে বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের বয়সের ফারাক ৫০ বছর বা তার বেশি, দাদু-দিদার সঙ্গে নাতি-নাতনির বয়সের ফারাক ৪০ বছর বা তার কম। এছাড়া বহু ক্ষেত্রে আবার ভোটারের দেওয়া বাবার নামে গরমিল আছে। ৪৫ বছর বা তার বেশি বয়সে প্রথমবার ভোটার তালিকায় নাম তোলার আবেদন করা ভোটারের সংখ্যাও কয়েক লক্ষ। এই সব অসঙ্গতির কারণে বহু ভোটারের তথ্য যাচাইয়ের পথে হাঁটতে চলেছে কমিশন।












