WB SIR Hearing Update: এসআইআর হিয়ারিংয়ে ডাক পড়েছে? নির্দিষ্ট তারিখে না যেতে পারলে ভোটার তালিকা থেকে নাম কাটা যাবে?

রিপোর্ট অনুযায়ী, এসআইআরে হিয়ারিং পর্ব চলবে আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। এর মধ্যেই সব ভোটারকে শুনানিতে ডাকা হবে। হিয়ারিংয়ে থাকবেন ইআরও বা এইআরও। অবশ্য শুনানির ক্ষেত্রে ভোটারদের স্বার্থ দেখা হবে বলে জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

Published on: Dec 17, 2025 8:45 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

এসআইআর-এ ইতিমধ্যেই নাম বাদ গিয়েছে ৫৮ লাখের। এদিকে অসঙ্গতি রয়েছে প্রায় দেড় কোটিরও বেশি মানুষের নামে। এই আবহে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পরও আরও ভোটারের নাম বাদ পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। এই আবহে হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে ফর্মে অসঙ্গতি থাকা ভোটারদের। তবে হিয়ারিংয়ের দিনে যদি কোনও ভোটার না যেতে পারেন, তাহলে কী হবে?

এসআইআরে হিয়ারিং পর্ব চলবে আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। (HT_PRINT)
এসআইআরে হিয়ারিং পর্ব চলবে আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। (HT_PRINT)

রিপোর্ট অনুযায়ী, এসআইআরে হিয়ারিং পর্ব চলবে আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। এর মধ্যেই সব ভোটারকে শুনানিতে ডাকা হবে। হিয়ারিংয়ে থাকবেন ইআরও বা এইআরও। অবশ্য শুনানির ক্ষেত্রে ভোটারদের স্বার্থ দেখা হবে বলে জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানান, উল্লেখিত দিনে কোনও ভোটার যদি শুনানিতে হাজির হতে না পারেন, তা হলে সঙ্গত কারণ দেখালে তাঁকে পরবর্তীতে ফের সময় দেওয়া হবে।

এদিকে প্রকাশিত খসড়া তালিকায় প্রায় ১ কোটি ৬৩ লক্ষ ৫১ হাজার ১৭৩ জন ভোটারের ক্ষেত্রে কোনও না কোনও তথ্যগত অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। তবে টেকনিক্যাল ত্রুটি, বিএলও বা অ্যাপের ভুল বাদ দেওয়ার পর এই সংখ্যা নেমে প্রায় ১ লক্ষ ৩৬ হাজার হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে প্রায় ৫৮ লাখ ভোটারের নাম কাটা পড়েছে খসড়া তালিকা থেকেই। অর্থাৎ, প্রায় ৭.৬ শতাংশ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। নাম বাদ পড়া ভোটারদের অধিকাংশই মৃত, কিছু স্থানান্তরিত, কয়েকজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এছাড়া জমা পড়া ফর্মে অনেক ক্ষেত্রেই নাকি দেখা গিয়েছে, ভোটারের বা এবং মায়ের নাম এক। এই ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, এই ধরনের ভুল হয়ত ডেটা এন্ট্রির সময় অনিচ্ছাকৃত ভাবে হয়েছে। এবং এর জন্য দায়ী বিএলও-রা, ভওটাররা নয়। তবে এছাড়াও বহু ফর্মে বাবা ও সন্তানের বয়সের ফারাক ১৫ বছরের কম। আবার বহু ফর্মে বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের বয়সের ফারাক ৫০ বছর বা তার বেশি, দাদু-দিদার সঙ্গে নাতি-নাতনির বয়সের ফারাক ৪০ বছর বা তার কম। এছাড়া বহু ক্ষেত্রে আবার ভোটারের দেওয়া বাবার নামে গরমিল আছে। ৪৫ বছর বা তার বেশি বয়সে প্রথমবার ভোটার তালিকায় নাম তোলার আবেদন করা ভোটারের সংখ্যাও কয়েক লক্ষ। এই সব অসঙ্গতির কারণে বহু ভোটারের তথ্য যাচাইয়ের পথে হাঁটতে চলেছে কমিশন।