WB Youth Terror Link: প্রেসিডেন্সি জেল থেকে ডাক্তার মডিউল যোগ সাবিরের? তদন্তে আটক তার ভাই
কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) উত্তম ঘোষ জানান, কয়েকদিন আগে নাকি ফাইজালকে আটক করা হয়েছিল। যদিও দিল্লি বিস্ফোরণের সঙ্গে ফাইজালেল সরাসরি কোনও যোগ ছিল কি না, সেই বিষয়ে পুলিশের কাছে কোনও তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে।
জইশের মহিলা শাখার জন্য ভারতে জঙ্গি ভর্তির দায়িত্বভার ছিল শাহিন শহিদ নামে চিকিৎকের কাঁধে। সেই শাহিনের সঙ্গে নদিয়ার পলাশী পাড়ার বাসিন্দা সাবির আহমেদের যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে তদন্তে নেমে এই সাবিরের ভাই ভাই ফাইজাল আহমেদ আটক করা হয়েছে। যদিও সাবির আদৌ গ্রেফতার কি না, সেই বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলতে পারেনি পুলিশ। কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) উত্তম ঘোষ জানান, কয়েকদিন আগে নাকি ফাইজালকে আটক করা হয়েছিল। যদিও দিল্লি বিস্ফোরণের সঙ্গে ফাইজালেল সরাসরি কোনও যোগ ছিল কি না, সেই বিষয়ে পুলিশের কাছে কোনও তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, সাবির-শাহিন যোগ নিয়ে তদন্ত করতে নদিয়ায় পৌঁছেছেন এনআইএ-র তদন্তকারী অফিসাররা। এই সাবির বর্তমানে প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি। বেআইনি মাদক পাচারের অভিযোগ রয়েছে সাবিরের বিরুদ্ধে। এরই মাঝে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, শাহিনের তৈরি করা সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপে নাকি সক্রিয় ছিল সাবির। তদন্তকারীরা জানতে পারে, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন গ্রুপ খুলে ভারত বিরোধী মতামত ছড়িয়ে দিত শাহিন। গ্রুপের মেন্টর হিসেবে কাজ করত শাহিন নিজেই। সেই গ্রুপেই সক্রিয় ছিল সাবির। সে নানা পোস্ট করে ভারতবিরোধী প্রচার চালাত এবং দেশবিরোধী কাজে উৎসাহ দিত বলে অভিযোগ। এই আবহে সবিরকে জেলে গিয়েও জেরা করেছেন তদন্তকারীরা। এদিকে প্রশ্ন উঠেছে, জেলবন্দি থাকাকালীন কীভাবে সাবির সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করত? রিপোর্ট অনুযায়ী, বিগত ৩ বছর ধরে জেলে আছে সাবির।
দিকে শাহিনের বিরুদ্ধে জইশের মহিলা জঙ্গি শাখার জন্য রিক্রুটমেন্টের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া দিল্লি বিস্ফোরণের সময় যে ডাক্তার মডিউলের পর্দা ফাঁস হয়েছে, তাতেও নাম জড়িয়েছে শাহিনের। এই শাহিন নাকি বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করেছিল জঙ্গি কার্যকলাপে। বর্তমানে এই শাহিন আছে এনআইএ হেফাজতে। তাকে লাগাতার জেরা করে ডাক্তার মডিউলের সঙ্গে যুক্ত আরও বাকিদের ধরার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা।
এদিকে দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্তে এর আগে উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহারের মতো একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছে তদন্তকারীরা। এই আবহে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ১৪ নভেম্বর রাতে ধরা হয়েছিল এক মেডিক্যাল পড়ুয়াকে। এনআইএ আটক করেছিল নিশার আলম নামে সেই ছাত্রকে। উত্তর দিনাজপুরের সূর্যাপুর বাজার এলাকা থেকে নিশারকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ইসলামপুরে। সেখান থেকে শিলিগুড়ি। এই নিশার হরিয়ানার আলফলাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিবিএসের ছাত্র। এই আবহে ডাক্তারদের জঙ্গি মডিউল নিয়ে জেরা করতেই নিশারকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে একদিন জেরা করার পরই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নিশারের থেকে নাকি তদন্তকারীরা জানতে চান যে মুজাম্মিল, আদিল, উমরদের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ছিল কি না, ক্যাম্পাসে এই মুজাম্মিলদের আচরণ কেমন ছিল। নিশার নাকি জানিয়েছেন, এই অভিযুক্তদের মধ্যে একজন তাঁর বন্ধু ছিল। যদিও সেই বন্ধুর সঙ্গে বছর খানেক আগে শেষবার কথা হয়েছিল তাঁর। ওই ডাক্তারি পড়ুয়ার দেওয়া তথ্যে কোনও অসঙ্গতি পাননি তদন্তকারীরা। এই আবহে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।












