বাস থেকে নামার সময় শাড়ি জড়িয়ে নিচে পড়ে যান মহিলা, চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু

মৃতার নাম যমুনা মণ্ডল (৪৬)। তিনি রায়চক থেকে ধর্মতলা রুটের একটি বাসে যাত্রা করছিলেন। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ বাসটি সখেরবাজার মোড়ে পৌঁছলে তিনি নামার চেষ্টা করেন। ঠিক সেই সময় ঘটে বিপত্তি।

Published on: Jun 02, 2025 5:43 PM IST
By
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সোমবার সকালে অফিস টাইমে ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল দক্ষিণ কলকাতার বেহালা। বাস থেকে নামতে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি হল মহিলার। শাড়ির আঁচলে পা জড়িয়ে পড়ে গিয়ে পিছনের চাকায় পিষ্ট হন তিনি। ঘটনাস্থলেই গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

বাস থেকে নামার সময় শাড়ি জড়িয়ে নিচে পড়ে যান মহিলা, চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু
বাস থেকে নামার সময় শাড়ি জড়িয়ে নিচে পড়ে যান মহিলা, চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু

আরও পড়ুন: দিঘার কাছে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা, জাতীয় সড়কে অটোকে সজোরে ধাক্কা লরির, মৃত ৫

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম যমুনা মণ্ডল (৪৬)। তিনি রায়চক থেকে ধর্মতলা রুটের একটি বাসে যাত্রা করছিলেন। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ বাসটি সখেরবাজার মোড়ে পৌঁছালে তিনি নামার চেষ্টা করেন। ঠিক সেইসময় ঘটে বিপত্তি। তাঁর অজান্তেই শাড়ির আঁচল বাঁ পায়ে জড়িয়ে যায়। তখন তিনি ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান এবং বাসের পিছনের চাকা চলে যায় তাঁর ওপর দিয়ে।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ব্যস্ত সময়ে ওই মোড়ে দুর্ঘটনার ফলে যানজটের পরিস্থিতি তৈরি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ঠাকুরপুকুর থানার পুলিশ। পরে বাসটিকে আটক করা হয়েছে। যদিও চালক ঘটনার পর পালিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সিগন্যাল খোলার সঙ্গে-সঙ্গেই বাসটি চলতে শুরু করেছিল। মহিলা ঠিকমতো নামার আগেই বাস ছেড়ে দেন চালক। যার জেরে দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পরেই সেখানে ছুটে আসেন আশপাশের পথচলতি মানুষজন ও দোকানদাররা। তাঁরা মহিলাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন। এছাড়াও ঠাকুরপুকুর থানাতেও খবর দেওয়া হয়। তবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরেও মহিলাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশও পৌঁছায় দুর্ঘটনাস্থলে।

পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চালকের গাফিলতি ছিল কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, বাসে দুর্ঘটনা রুখতে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে পুলিশ। সম্প্রতি বাস চালকদের জন্য বাসে লাগানো হয়েছে বিশেষ কাঁচ। তারপরেও বাস দুর্ঘটনায় লাগাম পরানো যাচ্ছে না। এই দুর্ঘটনায় স্পষ্ট যে শহরের ব্যস্ত রাস্তায় যাত্রী ওঠা নামানোর সময় আরও সতর্কতা এবং নিয়ন্ত্রণ জরুরি।