South Africa wins WTC Trophy: অজিদের দর্পচূর্ণ করে WTC চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকা, ২৭ বছরে প্রথম ICC ট্রফি জয়!

প্রথমবার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা। ফাইনালে হারিয়ে দিল অস্ট্রেলিয়াকে। আর তার ফলে তিনটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে তিনটি জয়ী দল পাওয়া গেল। প্রথমবার জিতেছিল নিউজিল্যান্ড। দ্বিতীয়বার জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। এবার জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা।

Published on: Jun 14, 2025 5:16 PM IST
By | Written by , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

অন্ধকার কাটিয়ে অবশেষে সূর্যোদয় হল রামধনুর দেশে!! অস্ট্রেলিয়াকে দাপটের সঙ্গে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা। শুধু তাই নয়, 'চোকার্স' তকমা ধুয়েমুছে সাফ করে দিয়ে ২৭ বছর পরে প্রথমবার আইসিসি ট্রফি জয়ের স্বাদ পেলেন প্রোটিয়ারা। ১৯৯৮ সালে আইসিসি নক-আউট চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরবর্তী তিন দশকে বারবার ট্রফি জয়ের সামনে এসেছেন তাঁরা। কখনও সেমিফাইনালে হেরেছেন। বৃষ্টির জেরে জয়ের জায়গা থেকে অবিশ্বাস্যভাবে হেরে গিয়েছেন। কখনও হেরে গিয়েছেন ফাইনালে উঠে। ছিঁটেফোটা মেলেনি ভাগ্যের সহায়তা। চোখের জলে বারবার ছাড়তে হয়েছে মাঠ। এমনকী গত বছর ২৯ জুন ভারতের বিরুদ্ধে নিজেদের হাতের মুঠোয় থাকা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফিটা ছুঁতে পারেননি। সেই ঠিক ঘটনার পাক্কা ৩৫০ দিনের মাথায় শাপমুক্তি হল দক্ষিণ আফ্রিকার। জিতে নিল বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ।

ঐতিহাসিক বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের জয়সূচক রান, উচ্ছ্বাস প্রোটিয়াদের। (ছবি সৌজন্যে এএফপি)
ঐতিহাসিক বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের জয়সূচক রান, উচ্ছ্বাস প্রোটিয়াদের। (ছবি সৌজন্যে এএফপি)

জয়টা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা ছিল

আর দক্ষিণ আফ্রিকার যে শাপমুক্তি ঘটাতে চলেছে, তা তৃতীয় দিনেই প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। জয়ের জন্য চতুর্থ দিনে মাত্র ৬৯ রান দরকার ছিল প্রোটিয়াদের। হাতে ছিল আট উইকেট। ক্রিজে ছিলেন শতরান করে ফেলা এডেন মার্করাম এবং অর্ধশতরান করা তেম্বা বাভুমা। কিন্তু দলটার নাম যেহেতু দক্ষিণ আফ্রিকা, তাই একটা ভয় সকলের মনেই ছিল - আবার ফসকে যাবে না তো? আবার হৃদয় ভাঙবে না তো?

সেই ভয়টা আরও চেপে বসে চতুর্থ দিনের ১৮ নম্বর বলটায়। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের বলে আউট হয়ে যান দক্ষিণ আফ্রিকার ক্যাপ্টেন বাভুমা। মার্করামের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে তিনি যে ১৪৭ রানের জুটি গড়েন, সেটাই দক্ষিণ আফ্রিকাকে স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছিল। সেই পরিস্থিতিতে বাভুমা আউট হয়ে যাওয়ায় প্রোটিয়া শিবিরের মধ্যে ফের সেই প্রশ্নটা উঠতে শুরু করে, 'আমরা জিততে পারব তো?'

বাভুমা আউট হতে পুরো দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন মার্করাম

ওই প্রশ্নটার উত্তর ইতিবাচক করে তোলার দায়িত্বটা নেন মার্করাম। গত বছর ২৯ জুন অধিনায়ক হিসেবে যে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল, সেরকম যাতে ফের না হয়, সেই দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের সামলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে জয়ের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে থাকেন। যখন অজিরা চাপ তৈরির চেষ্টা করছেন, তখন তাঁর ব্যাট থেকে ডটবলই আসছিল না। শেষপর্যন্ত জয়ের জন্য যখন মাত্র ছয় রান বাকি, তখন আউট হয়ে যান প্রোটিয়া ওপেনার।

উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ল বিশ্ব…অস্ট্রেলিয়া বাদে

ততক্ষণে অবশ্য ১৩৬ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচটা পুরোপুরি প্রোটিয়াদের হাতে নিয়ে চলে এসেছেন মার্করাম। স্নায়ুর চাপ সামলে বাকি রানটা তুলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ফিনিশিং লাইন পার করিয়ে দেন কাইল ভেরেইন এবং ডেভিড বেডিংহ্যাম। আর মিচেল স্টার্কের বলে ভেরেইনের শটটা কভার পয়েন্টের দিকে যেতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে পুরো লর্ডস, পুরো দক্ষিণ আফ্রিকা, সম্ভবত পুরো বিশ্বও (অবশ্যই অস্ট্রেলিয়া বাদে)। সকলেই তো প্রার্থনা করছিলেন, এবার যেন হৃদয় না ভাঙে দক্ষিণ আফ্রিকার।