IVF নিয়ে সিনেমা বানানোর টোপ! ৩০ কোটির জালিয়াতি মামলায় জামিন পেলেন না বিক্রম ভাট ও পরিচালকের স্ত্রী
সাত দিন রিমান্ডে থাকার পর বিক্রম ভাট ও তাঁর স্ত্রী শ্বেতাম্বরীকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে (জেলে) পাঠানো হল।
চলচ্চিত্র নির্মাতা বিক্রম ভাট এবং তাঁর স্ত্রী শ্বেতাম্বরীকে ৩০ কোটি টাকার জালিয়াতির অভিযোগে গত ৯ ডিসেম্বর উদয়পুরের একটি আদালত সাত দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছিল। মঙ্গলবার অভিযুক্ত দম্পতির আইনজীবী শারীরিক কারণে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করার আবেদন করেন। তবে আদালত তাঁদের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়, মেলেনি জামিন।

বিক্রম ভাট ও তার স্ত্রী অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আবেদন করেছিলেন জামিনে। অ্যাডভোকেট মনজুর হুসেন এএনআইকে বলেন, ‘অভিযুক্তদের আইনজীবী অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আবেদন করেছিলেন এবং চিকিত্সার কারণে এটি মঞ্জুর করার অনুরোধ করেছিলেন। যদি আদালতের অধিবেশন শেষ হওয়ার আগে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন না-মঞ্জুর করা হয়, তবে উভয় ব্যক্তিকে চিকিত্সা গ্রহণের জন্য স্বল্প সময়ের জন্য মুক্তি দেওয়া যেতে পারে। সবকিছু নির্ভর করছে আদালতের আদেশের ওপর’। তবে পরে ডিএসপি সূর্যবীর সিং সংবাদ সংস্থাকে বলেন, ‘আদালত তাদের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। তাঁদের উদয়পুরের কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হবে।’
৩০ কোটি টাকার জালিয়াতির অভিযোগে বিক্রম এবং তাঁর স্ত্রীকে গত ৭ই ডিসেম্বর মুম্বাই থেকে গ্রেপ্তার করেছিল রাজস্থান পুলিশ। ৯ই ডিসেম্বর, তাদের সাত দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছিল। বিক্রম, তাঁর স্ত্রী এবং আরও ছয়জনের বিরুদ্ধে ইন্দিরা গ্রুপ অফ কোম্পানিজের প্রতিষ্ঠাতা উদয়পুরের ডাঃ অজয় মুর্দিয়ার ৩০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে।
এক আধিকারিক সংবাদসংস্থা পিটিআইকে বলেন, 'ইন্দিরা আইভিএফ হাসপাতালের মালিক মুরদিয়া তাঁর প্রয়াত স্ত্রীকে নিয়ে একটি বায়োপিক তৈরি করতে চেয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে তাঁকে ২০০ কোটি টাকা উপার্জনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কিছুই কার্যকর হয়নি, যার পরে মুরদিয়া উদয়পুরের ভোপালপুরা থানায় যোগাযোগ করেছিলেন, যেখানে প্রতারণা এবং অন্যান্য অপরাধের জন্য এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। ১৭ নভেম্বর দায়ের করা একটি এফআইআরে তাঁদের বিরুদ্ধে চলচ্চিত্র প্রযোজনা এবং মুনাফার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ৩০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ আনা হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে যে অভিযুক্তদের দ্বারা উত্পন্ন জাল বিলের মাধ্যমে এই জালিয়াতি করা হয়েছিল।












