‘AI -কে আমি ভয় পাই…’, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে কেন এমন বললেন অভিষেক?
সম্প্রতি অভিষেক AI বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে তাঁর মতামত প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, এটা কীভাবে অভিনেতাদের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে।
অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ইন্ডাস্ট্রির এমন একজন তারকা যিনি তাঁর কেরিয়ার জুড়ে বিভিন্ন ধরণের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি কমেডি থেকে নেগেটিভ সব ধরনের চরিত্রই সবকিছুই পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন। অভিষেক বচ্চন তাঁর পেশাগত এবং ব্যক্তিগত উভয় জীবন নিয়েই চর্চায় থাকেন। সম্প্রতি অভিষেক AI বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে তাঁর মতামত প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, এটা কীভাবে অভিনেতাদের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে।

আরও পড়ুন: বিয়ের পর প্রথম শিবরাত্রি মধুমিতার, কীভাবে পালন করবেন? জানালেন HT Bangla-কে
ET NOW গ্লোবাল বিজনেস সামিট ২০২৬-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিষেক বলেন যে, AI কে তিনি ভয় পান এবং এতে তিনি খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। AI সম্পর্কে তাঁর মতামত প্রকাশ করতে গিয়ে অভিষেক বলেন, ‘AI কে আমি ভয় পাই। প্রতিটা অভিনেতারই এটাকে ভয় পাওয়া উচিত। AI সৃজনশীল কাজে অনেক পরিবর্তন আনবে। যদি এটা সঠিক ভাবে ব্যবহার না করা হয়, তাহলে এটা অভিনেতাদের জন্য খুবই ক্ষতিকর হতে পারে। অ্যানিমেশন, স্পেশাল এফেক্ট ইত্যাদি ক্ষেত্রে AI খুবই উপকারী। এটা আমাদের কাজের সময় কমিয়ে দেবে এবং ছবির বাজেটও কমিয়ে দিতে পারে।’
তাঁর সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে বলতে গিয়ে অভিষেক বলেন, ‘আমি AI দিয়ে তৈরি অনেক জিনিস দেখেছি। সেগুলো দেখতে দারুন, কিন্তু সেগুলোতে প্রাণের অভাব রয়েছে। মানুষের মধ্যে যে ত্রুটিগুলো আমাদের সুন্দর করে তোলে, সেগুলো AI তে অনুপস্থিত। আমার মনে হয় AI চিকিৎসা ও আইনি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে। আমি এখনই চলচ্চিত্র এবং সৃজনশীল কাজ সম্পর্কে বেশি কিছু বলতে পারছি না। আমি AI পুরোপুরি বুঝতে পারি না, তাই আমি এতে একটু ভয় পাই। আমি এটা সম্পর্কে পড়ি এবং শিখতে থাকি।’
অভিনেতা বলেন যে AI অনেক ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি মনে করি চিকিৎসা এবং আইনি ক্ষেত্রগুলিতে অনেক পরিবর্তন আসতে চলেছে বিশেষ করে AI-এর ক্ষেত্রে। সৃজনশীলতা এবং চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে, এটা উপকারী হবে কিনা তা নিয়ে আমি এখনই কিছু বলব না। আমি AI-এর ল্যান্ডস্কেপ পুরোপুরি বুঝতে পারি না, তাই আমি এতে খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি না। আমি এটা সম্পর্কে অনেক কিছু শিখছি এবং পড়ছি।’
E-Paper











