Dev on Messi Row: ‘বাংলার জন্য একটা দাগ হয়ে গেল, আমরা করতে পারিনি, অন্য রাজ্য করে দেখাল…’, মেসি বিতর্কে মুখ খুললেন দেব

শনিবারের আতঙ্ক এখনও ভুলতে পারেননি সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে তাঁরা, যাঁরা নিজেদের কষ্টের টাকা দিয়ে মাঠে গিয়েছিলেন মেসিকে দেখতে। কেউ চোখের জলে মাঠ ছেড়েছে, কেউ বা রাজ্য প্রশাসনের সমালোচনায়। কেউ ভেঙচুর করেছে স্টেডিয়াম। এবার গোটা ঘটনায় এল অভিনেতা, তৃণমূল সাংসদ দেবের প্রতিক্রিয়া। 

Published on: Dec 15, 2025 10:27 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

শনিবারের রেশ এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি বাংলার মানুষ। একট দারুণ, চিরস্মরণীয় সকাল পাওয়ার কথা ছিল। আর তার জয়াগায় শুধুই লজ্জা। বাংলার অব্যবস্থায় বীতশ্রদ্ধ হয়ে শনিবার মাঠ ছেড়েছিলেন আর্জেন্তিনার ফুটবল তারকা মেসি। তবে সেই মেসির মুখেই কিন্তু চওড়া হাসি হায়দরাবাদ আর মুম্বইতে। সেখানে কোনো বিতর্ক নেই, না আছে কোনো বিশ্রীঙ্খলা। কোনো রাজনৈতিক তরকারা মেসিকে সর্বক্ষণ ঘিরে থাকেননি। কোনো রাজনৈতিক নেতার পরিবার বা তারকারা ছবির জন্য ‘হ্যাংলামি’ করেননি। দূরে থেকেও স্টেডিয়ামে থাকা দর্শকরা দেখতে পেয়েছেন মেসিকে। মেসি কখনো শচিন, সুনীল ছেত্রীর হাতে জার্সি তুলে দিয়েছেন, কখনো আবার স্টেডিয়ামে বল পায়ে দেখিয়েছেন কারসাজি। এই ব্যর্থতা নিঃসন্দেহে বাংলার পুলিশ-প্রশাসন, আর এই অনুষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা মানুষগুলোর।

মেসি কাণ্ডে পুড়েছে কলকাতার মুখ, কী বলছেন দেব?
মেসি কাণ্ডে পুড়েছে কলকাতার মুখ, কী বলছেন দেব?

ইতিমধ্যেই বহু তারকা গোটা ঘটনার নিন্দে করেছেন। এবার মুখ খুললেন দেবও। অভিনেতা, তৃণমূল সাংসদকে বলতে শোনা গেল, ‘বাংলার মানুষের জন্য একটা দাগ হয়ে গেল। আমারও প্রচণ্ড কষ্ট হয়েছে কারণ বাংলায় আমরা করতে পারিনি, অন্য রাজ্য সেটা করে দেখাল। তবে ডেফিনেটলি উই উইল কামব্যাক। তবে হ্যাঁ যে ইমেজটা কাল (শনিবারের কথা বলেছেন দেব) নষ্ট হয়েছে, সেটা অস্বীকার করা যাবে না।’

যদিও এরপর একটু হলেও ‘পলিটিক্যালি কারেক্ট’ দেব। তিনি নিজের বক্তব্যের সঙ্গে জুড়েছেন, ‘সেই ইমেজটা কীভাবে রিকভার করা যায়… মেসি তো শুধু ইন্ডায়ার নয়, ইন্টারন্যাশনাল ফিগার। পৃথিবীজুড়ে একটা… বলব না আমি কলকাতার, এটা গোটা ভারতের কাছে লজ্জার। যারা এটার সঙ্গে জড়িত, তাঁর নিশ্চয় ভাবছেনআমরা কীভাবে এটা কাটিয়ে উঠব। আমাদের মান-সম্মান কীভাবে অটুট রাখব। কীভাবে আমরা মাথা উঁচু করে বাঁচব, যারা অধিকারিরা তাদের সেটা ভাবা উচিত।’

শনিবার যুবভারতীতে মেসি ছিলেন প্রায় ৩০ মিনিটের কাছাকাছি। আর এই পুরো সময়টাই তাঁকে ঘিরে ছিল কিছু মানুষ। তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতা, তাঁদের পরিবারের ছবি দেখা গিয়েছে মেসির সঙ্গে। এতটাই ভিড় ছিল মেসির চারপাশে যে, স্টেডিয়ামে থাকা মানুষ এক ফোঁটা দেখতে পাচ্ছিলেন না। সঞ্চালকের বারবার অনুরোধ ‘মাঠ ছাড়ুন, দর্শকের সমস্যা হচ্ছে দেখতে’-তেও কোনো কাজ হয়নি। এরপর গ্যালারি থেকে এসে পড়তে থাকে জলের বোতল। নিরাপত্তার এই অব্যবস্থা দেখে রীতিমতো বিরক্ত মেসি ছাড়েন মাঠ। তারপর জনতার ক্ষোভ পৌঁছয় চরমে। কেউ তিন হাজার, কেউ ৫ হাজার, তো কেউ ১৫ হাজার টাকা দিয়ে মেসিকে দেখতে এসেছিলেন। আর তারপর নির্মম ভাবে এই ‘ফুটবল-প্রেমী’ মানুষগুলোই ভাঙচুর করে বাঙালির গর্ব যুবভারতী। ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে মেসিকে নিয়ে আসার পিছের অন্যতম কাণ্ডারি শতদ্রু দত্তকে।