পাতে গরুর মাংস! ছবি পোস্ট করতেই স্বরলিপির মৃত্যু কামনা ট্রোলারের, কী জবাব দিলেন?
গরুর মাংস খেয়ে হিন্দুধর্মের অপমান করেছেন স্বরলিপি, সোশ্যালে নজিরবিহীন আক্রমণ অভিনেত্রীকে। স্বরলিপির পালটা প্রশ্ন, ‘খাবারের আবার জাত কী?’
বিতর্ক তাঁর জীবনের নিত্যসঙ্গী। সৌম্য বন্দ্য়োপাধ্যায়ের সঙ্গে ভাঙা দাম্পত্য থেকে প্রাক্তন স্বামীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ, হালে চর্চায় থেকেছেন স্বরলিপি চট্টোপাধ্যায়। একটা সময় ছোটপর্দায় দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছেন স্বরলিপি, এখন অবশ্য নিজের মেয়ে এবং ক্যাফে নিয়েই ব্যস্ত।

ডিসেম্বর পড়তেই শহর থেকে দূরে একটু জিইয়ে নিতে গোয়া পাড়ি দিয়েছেন স্বরলিপি। গোয়ার জমকালো জীবনযাত্রা উপভোগ করছেন চুটিয়ে। কখনও করসেট বিকিনি টপ তো কখনও বিচ-পোশাকে লাস্যময়ী একা মা স্বরলিপি। গোয়া বিখ্যাত সামুদ্রিক খাবারের জন্য। গোয়ান প্রন কারি, শেল কারির পাশাপাশি বিফ স্টেকও চেটেপুটে খাচ্ছেন অভিনেত্রী। সেই ছবি ফলাও করে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ারও করছেন।
গরুর মাংসের স্টেক খাওয়ার ছবি পোস্ট করাতেই বিপত্তি। সনাতনীদের চক্ষূশূল হয়ে ওঠলেন স্বরলিপি। তিনি নিজে হিন্দু ব্রাহ্মণ কন্যা, তা সত্ত্বেও কেন গরুর মাংস খাবেন? তাঁর ধর্ম টেনে চলল কুরুচিকর আক্রমণ। এমনকী ট্রোলাররা তাঁর মৃ্ত্যু কামনা করতেও পিছপা হল না। কিন্তু দমে যাওয়ার পাত্রী নন স্বরলিপি। তিনি সেই ট্রোলারদের কমেন্টের স্ক্রিনশট নিজের ফেসবুকের দেওয়ালে পোস্ট করেন।
একজন স্বরলিপির ব্যক্তিগত জীবন টেনে লেখেন, ‘গরুর মাংস খেয়ে ছবি দিচ্ছিস, তোর কপালে আরও কষ্ট আছে। মরতে পারিস না, আপদ যত। সামনে পেলে জুতোর বারি মেরে কুল সাজা বার করতাম’। আরেকজন লেখে, ‘গরুর মাংস খাওয়া আর তার প্রচার করাটা কোনও গর্বের জিনিস নয়। এটা হিন্দুধর্মের অপমান, হিন্দুদের অসম্মান। আমি হিন্দু নারী হিসাবে আমি এর তীব্র প্রতিবাদ করছি।’
এর জবাবে স্বরলিপি বলেন, ‘আমি তো মানুষ। আমার পেটে যা সয় তাই খাই। খাবারের আবার জাত কী’। স্বরলিপির কথায়, ‘খারাপ সময়ের গন্ধ পাচ্ছি কেন জানি। খুব খারাপ’।
গত রবিবার গীতাপাঠের দিন, ময়দানে দুই প্যাটিস বিক্রেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মারধরের সেই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। সেই ঘটনায় উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া। এর মাঝেই গরুর মাংসের স্টেক খাওয়ার ছবি দিয়ে বিতর্কে স্বরলিপি।












