জয়জিৎ-শ্রেয়ার ডিভোর্স নিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি! মা-বাবার বিচ্ছেদের পর, কার কাছে থাকার সিদ্ধান্ত নিল ১৮ বছরের ছেলে যশোজিৎ?

১২ ডিসেম্বর আইনিভাবে আলাদা হয়েছেন জয়জিৎ আর শ্রেয়া। মা-বাবা আলাদা হওয়ার পর, কার সঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ১৮ বছরের ছেলে যশোজিৎ?

Published on: Feb 08, 2026 5:42 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

টলিউডের তারকাদের সম্পর্ক ভাঙার খবর নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিন ধরেই মিডিয়ার কাছে খবর ছিল যে, অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুখের সংসারে ভাঙন ধরেছে। স্ত্রী শ্রেয়ার সঙ্গে ছাদ হয়েছে আলাদা। এমনকী, অভিনেতার সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলও সেই ইঙ্গিতও দিচ্ছিল। কারণ, যে কোনো ভ্যাকেশন হোক বা অনুষ্ঠান, সেখানে মিসিং ছিলেন শ্রেয়া! তবে কোনোভাবেই সত্যি সামনে আসতে দেননি অভিনেতা। বরং বারংবার তা অস্বীকার করে গিয়েছেন।

মা-বাবার ডিভোর্সের পর কার সঙ্গে থাকবে যশোজিৎ?
মা-বাবার ডিভোর্সের পর কার সঙ্গে থাকবে যশোজিৎ?

তবে অবশেষে জানা গিয়েছে যে, ১২ ডিসেম্বর আইনিভাবে আলাদা হয়েছেন জয়জিৎ আর শ্রেয়া। প্রথমে শোনা গিয়েছিল, শ্রেয়া নাকি পৃথক সম্পর্কে জড়ান, তাই এই বিচ্ছেদ। তবে এরপর সংবাদমাধ্যমে মুখ খোলেন অভিনেতা-পত্নী। স্বামীর নামে অভিযোগের ঝুলি খুলেছেন তিনি। এদিকে জয়জিৎ জানিয়েছেন, ছেলের মায়ের তোলা সব অভিযোগ তিনি মাথা পেতে নিয়েছেন। কোনোরকম কাদা ছোড়াছুড়িতে যেতে রাজি নন।

মা-বাবার ডিভোর্সের পর কার কাছে থাকবেন অভিনেতা পুত্র যশোজিৎ। হিসেব মতো ১৮-র গণ্ডি পেরিয়েছেন তিনি। তাই কার সঙ্গে থাকতে চান, সেই সিদ্ধান্ত তাঁরই। এই নিয়ে শ্রেয়া সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, ঠাকুরদা আর ঠাকুমার সঙ্গে থাকার কথা জানিয়েছেন যশোজিৎ নিজেই। এই বৃদ্ধ বয়সে এই মানুষদুটোকে একা ছাড়তে রাজি নন তিনি।

আরও পড়ুন: লাল টুকটুকে বিয়ের কার্ড গেল ভগবানের পায়ে, মার্চের কত তারিখে বিয়ে অনন্যা-সুকান্তর

সঙ্গে জয়জিৎ জানিয়েছেন, ‘ছেলের কষ্ট হচ্ছে ঠিকই কিন্তু ও এখন বড় হয়েছে তাই নিজেকে সামলে নিতে পারে ও। আমার এখন একমাত্র লক্ষ্য আমার সন্তানকে মানুষ করা। এর বাইরে আমার এখন আর কোন কাজ নেই। তাই আমার নামে যদি কেউ বলে তাহলে আমি সেটা মাথা পেতে নিচ্ছি এর বাইরে আর আমার কিছু বলার নেই।’

আরও পড়ুন: প্রথম বাঙালি হিসেবে ইন্ডিয়ান আইডল জয় মানসীর, পান ২৫ লাখ! এখন কী করছেন নিমতার মেয়ে?

ডিভোর্স নিয়ে শ্রেয়ার অভিযোগ, নিজের রঙিন জীবন নিয়ে এতটাই ব্যস্ত ছিলেন জয়জিৎ যে, তাঁর ভালো-মন্দর দিকে নজরদিতেই ভুলে গিয়েছিলেন। এমনকী, একদিন রাগের মাথায় শ্রেয়াকে বাড়ি থেকে মধ্যরাতে বেরিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন। তারপর আর কোনোদিন নিজে থেকে ফোন করে ফিরে আসতে বলেননি। জয়জিৎ এদিকে মুখ বন্ধ রাখারই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে কারণ যাই হোক, আরও এক দাম্পত্যের ভাঙন টলিউডে, নিঃসন্দেহেই বড় কষ্টের।