‘ওঁর সঙ্গে কাজ করার... ‘, 'ইক্কিস’ মুক্তির আগে ধর্মেন্দ্রকে নিয়ে আবেগঘন অগস্ত্য
ধর্মেন্দ্রকে নিয়ে আশায় বুক বেঁধেছিলেন তাঁর গোটা পরিবার, ৯০ তম জন্মদিন নিশ্চয়ই তিনি পালন করতে পারবেন এই আশাই করেছিলেন সকলে। কিন্তু সেই আশা আর পূরণ হলো না। ৯০ তম জন্মদিনের আগেই চিরকালের জন্য না ফেরার দেশে চলে গেলেন ধর্মেন্দ্র।
ধর্মেন্দ্রকে নিয়ে আশায় বুক বেঁধেছিলেন তাঁর গোটা পরিবার, ৯০ তম জন্মদিন নিশ্চয়ই তিনি পালন করতে পারবেন এই আশাই করেছিলেন সকলে। কিন্তু সেই আশা আর পূরণ হলো না। ৯০ তম জন্মদিনের আগেই চিরকালের জন্য না ফেরার দেশে চলে গেলেন ধর্মেন্দ্র। শুধু তাই নয়, ধর্মেন্দ্র অভিনীত ছবি ‘ইক্কিস’ মুক্তির আগেই অভিনেতা চিরঘুমের দেশে চলে গেলেন।

এই ছবিটি বিভিন্ন কারণে ভীষণ স্পেশাল কারণ এই ছবিতেই সহ অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের নাতির সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছিলেন ধর্মেন্দ্র। বচ্চন পরিবারের সঙ্গে ধর্মেন্দ্রর সম্পর্ক চিরকালই ভীষণ ভালো, অমিতাভ বচ্চন এমনকি তাঁর পরিবারের বাকি সদস্যের সঙ্গেও কাজ করেছিলেন ধর্মেন্দ্র।
‘ইক্কিস’ ছবির হাত ধরে প্রথম বড়পর্দায় অভিনয় করতে চলেছেন অমিতাভ বচ্চনের নাতি অগস্ত্য নন্দা। অন্যদিকে এই ছবিতেই অভিনয় করবেন অক্ষয় কুমারের ভাগ্নি সীমার ভাটিয়া। নতুন প্রজন্মের এই দুই উঠতি তারকা ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে পেরে ভীষণ খুশি হয়েছিলেন। কিন্তু ছবি মুক্তির আগেই ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ সকলে।
চলতি সপ্তাহে ‘ইক্কিস’ ছবির প্রথম গান ‘সিতারে’- এর লঞ্চ ইভেন্টে একত্রিত হয়েছিলেন ছবির সমস্ত তারকারা। অরিজিৎ সিং - এর গলায় গাওয়া এই গানটির লঞ্চ ইভেন্ট অনুষ্ঠানে সহ অভিনেতা তথা অনস্ক্রিন বাবা ধর্মেন্দ্রকে স্মরণ করেন অগস্ত্য।
অগস্ত্য বলেন, ‘ধর্মেন্দ্রজির সঙ্গে কাজ করা ভীষণ স্পেশাল কারণ উনি আমার পরিবারের প্রায় প্রত্যেকের সঙ্গেই কাজ করেছেন। আমার দাদুর ভীষণ ভালো বন্ধু ছিলেন উনি। ওঁর সঙ্গে কাজ করার সৌভাগ্য আমি পেয়েছি এটাই আমার কাছে অনেক। আমার কাছে এটা অনেক বড় সুযোগ ছিল কিন্তু ছবিটি মুক্তির আগেই উনি চলে গেলেন।’
প্রসঙ্গত, শ্রীরাম রাঘবন পরিচালিত এবং দীনেশ বিজন এবং বিন্নি পদ্দার সহ-প্রযোজনায় নির্মিত এই ছবিটি ২৫শে ডিসেম্বর মুক্তি পেতে চলেছে। জয়দীপ আহলাওয়াত, সিকান্দার খের, দীপক ডোব্রিয়াল এবং রাহুল দেব অভিনীত ‘ইক্কিস’ ভারতের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা পরমবীর চক্রের মরণোত্তর প্রাপক সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট অরুণ ক্ষেত্রপালের গল্প, তার জীবনকে নিয়ে তৈরি গল্প।
ছবিতে অগস্ত্য অরুণ ক্ষেত্রপালের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, যিনি ২১ বছর বয়সে শহীদ হন, অন্যদিকে ধর্মেন্দ্রকে অরুণের বাবা ব্রিগেডিয়ার এমএল ক্ষেত্রপাল (অবসরপ্রাপ্ত) চরিত্রে দেখা যাবে। সিমারকে কিরণের দেখা যাবে চরিত্রে যিনি অগস্ত্যের অনস্ক্রিন প্রেমিকা।












