'মা-বাবা তো, মনটা বড্ড খারাপ হয়ে যায়…', কেন এমন বললেন নতুন মা অহনা? হঠাৎ কী হল?

টলিপাড়ার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অহনা দত্ত। রূপসজ্জা শিল্পী দীপঙ্কর দেকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন নায়িকা। কিছুদিন আগে তাঁরা কন্যা সন্তানের বাবা-মা হয়েছেন। কিন্তু এই সব কিছুর মধ্যেই হঠাৎ করে তাঁর ভ্লগে বললেন, ‘মা-বাবা তো, মনটা বড্ড খারাপ হয়ে যায়।’

Updated on: Dec 08, 2025 8:18 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

টলিপাড়ার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অহনা দত্ত। রূপসজ্জা শিল্পী দীপঙ্কর দেকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন নায়িকা। কিছুদিন আগে তাঁরা কন্যা সন্তানের বাবা-মা হয়েছেন। কিন্তু এই সব কিছুর মধ্যেই হঠাৎ করে তাঁর ভ্লগে বললেন, ‘মা-বাবা তো, মনটা বড্ড খারাপ হয়ে যায়।’

'মা-বাবা তো, মনটা বড্ড খারাপ হয়ে যায়…', কেন এমন বললেন নতুন মা অহনা? হঠাৎ কী হল?
'মা-বাবা তো, মনটা বড্ড খারাপ হয়ে যায়…', কেন এমন বললেন নতুন মা অহনা? হঠাৎ কী হল?

আরও পড়ুন: আমিরের ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর পার্ট ২ আসছে! মাধবন থেকে করিনা আর কে কে থাকছেন?

কী ভাবছেন হঠাৎ নিজের সন্তানকে নিয়ে কেন এমন বললেন তিনি? না না মেয়ে মীরাকে নয়, আসলে অহনা ও দীপঙ্কর তাঁদের প্রথম গাড়িকে ভালোবাসে, নিজেদের সন্তানের মতো ভাবেন, আর সেই প্রসঙ্গেই এই কথা। কিন্তু সম্প্রতি নানা কারণে সেই গাড়িটি তাঁরা বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়েছেন। কী কারণ তা অবশ্য জানা যায়নি।

রবিবার নায়িকা একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন সমাজমাধ্যমে। সেখানেই দেখা যায় তিনি গাড়িটি বিক্রি করে দিচ্ছেন। অহনাকে ভ্লগে বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের সখের গাড়িকে আজ বিক্রি করে দিতে হল। আমাদের একসঙ্গে কেনা প্রথম জিনিস ছিল এটা। আমি আর ও (দীপঙ্কর) যখন আমরা প্রথম রিলেশনশিপে এসেছিলাম তখন আমরা নিজেদের এই গাড়িটা উপহার দিয়েছিলাম। আজও সেই দিনটার কথা মনে পড়ে যেদিন প্রথম শোরুমে গিয়ে এই গাড়িটা দেখেছিলাম, আর নিজেদের হাতে পেয়েছিলাম। ও খুব খুশি ছিল।’

আরও পড়ুন: সন্ন্যাসী স্বামীকে সংসারে ফেরাতে পারবে রূপমঞ্জরী? পল্লবীর তারে ধরি ধরি-র নতুন প্রোমোয় বিরাট চমক

তিনি আরও বলেন, ‘গাড়িতে প্রথম স্বপ্না যাঁহা গানটা চালিয়ে ছিলাম, যেন আমাদের স্বপ্নপূরণ হল। আমাদের মনে হত গাড়ির প্রত্যকেটা ধুলো পর্যন্ত আমাদের।’ তাছাড়াও তিনি জানান যখন তিনি সন্তানসম্ভবা তখন তিনি 'মম ইন কার' স্টিকারটা লাগিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, ‘কত কিছুর সাক্ষী রয়েছে এই গাড়িটা। আমাদের প্রেম, আমাদের বিয়ে, এমনকী আমাদের ছোট্ট সোনা মাকে হাসপাতাল থেকে এই গাড়িটা করেই নিয়ে এসেছিলাম ওর নিজের বাড়িতে। ভাবতে পারিনি যে এই গাড়িটা একদিন আমাদের কাছে থাকবে না। এটা আমাদের বড্ড লক্ষ্মী গাড়ি। কোনও দিন আমাদের কোনও বিপদে ফেলেনি।’

এই গাড়ি করেই তাঁরা মন্দারমণি থেকে শান্তিনিকেতন নানা জায়গায় ঘুরেছেন। তাই গাড়িটি বিক্রি করার সময় বিদায় বেলায় নায়িকা বলেন, ‘কী বলুন তো মা-বাবা তো, মনটা বড্ড খারাপ হয়ে যায়। না না ওকে আমরা দুঃখ পেয়ে বিদায় জানাবো না। আমরা হাসতে হাসতে বলব এরপর তুমি যার হাতেই যাও, তাঁরাও যেন তোমাকে খুব ভালোবাসে। আর তাঁদেরও তুমি লক্ষ্মী গাড়ি হয়ে থেকো। তোমার কথা সারা জীবন মনে থাকবে। তুমি কিন্তু দ্রুত বেগে আরও আরও দৌড়াতে থেকো। ও মম ইন কার ট্যাগটা রয়েই গেল। পরের মা-বাবাকে মনে করে খুলে দিতে বলো।’