‘কানাডিয়ান কুমার’ কটাক্ষ মুছতেই কি দেশাত্মবোধক সিনেমা বানান অক্ষয়? জবাব অভিনেতার

২০২৩ সালের আগে, অক্ষয় কুমারের ভারতীয় পাসপোর্ট ছিল না তবে একটি কানাডিয়ান পাসপোর্ট ছিল। সম্প্রতি এ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন অক্ষয় কুমার। তিনি আরও বলেছেন যে, তিনি কখনো কানাডা সরকারকে কোনো ট্যাক্স দেননি।

Mar 16, 2026, 12:36:16 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বলিউড তারকা অক্ষয় কুমারকে নিয়ে বহু বছর ধরেই একটি প্রশ্ন ঘুরে বেড়াত—কেন তাঁর কাছে কানাডার পাসপোর্ট ছিল? এই কারণেই অনেক সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে ‘কানাডিয়ান কুমার’ বলে কটাক্ষও করা হয়েছিল। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সেই পুরনো বিতর্ক নিয়ে খোলাখুলি কথা বললেন অভিনেতা।

অক্ষয় কুমার। (Sunil khandare )
অক্ষয় কুমার। (Sunil khandare )

দেশপ্রেমের ইমেজ তৈরি করতে দেশাত্মবোধক সিনেমা?

একটি আলোচনায় অক্ষয় কুমারকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সমালোচকদের ‘কানাডিয়ান’ মন্তব্যের জবাব দিতেই কি তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে দেশাত্মবোধক সিনেমা করেছেন? কারণ তাঁর অভিনীত এয়ার লিফট, কেশরী, মিশন মঙ্গল—এই তিনটি ছবিই দেশপ্রেমের আবহে তৈরি।

এই প্রশ্নের জবাবে অভিনেতা স্পষ্ট বলেন, তিনি কখনও ইমেজ তৈরির জন্য কাজ করেন না। তাঁর কথায়, তিনি অনেক সিনেমা করেন ঠিকই, কিন্তু সেটা কোনও নির্দিষ্ট ভাবমূর্তি বানানোর উদ্দেশ্যে নয়। যে গল্প ভালো লাগে বা যেটা করতে ইচ্ছে হয়, সেটাই করেন।

কেন নিয়েছিলেন কানাডার পাসপোর্ট?

অক্ষয় জানান, তাঁর ক্যারিয়ারের একটা কঠিন সময়েই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। একসময় টানা ১৬–১৭টি সিনেমা ফ্লপ হয়েছিল তাঁর। তখন হাতে অল্প কিছু কাজ থাকলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল।

সেই সময় তিনি ভাবেন, যদি সিনেমায় কাজ কমে যায়, তাহলে অন্য কিছু করার পথ খুঁজতে হবে। তখনই কানাডায় কাজের সুযোগ পাওয়ায় সেখানে একটি ছোট ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা করেন। সেই সময়ই তিনি কানাডার পাসপোর্ট পান।

কিন্তু ভাগ্যের চাকা দ্রুত ঘুরে যায়। যে কয়েকটি ছবি মুক্তির অপেক্ষায় ছিল, সেগুলো একের পর এক সফল হয়। ফলে আবার বলিউডে কাজ বাড়তে শুরু করে এবং কানাডায় যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করে দেন তিনি।

আমি কখনও কানাডায় ট্যাক্স দিইনি

অক্ষয় আরও বলেন, পরে যখন মানুষ তাঁকে বারবার ‘কানাডিয়ান’ বলে সমালোচনা করতে থাকে, তখন তিনি নিজের পাসপোর্ট বদলানোর সিদ্ধান্ত নেন। অভিনেতার দাবি, তিনি সবসময় ভারত সরকারকে কর দিয়েছেন এবং কানাডায় কখনও ট্যাক্স দেননি। তাঁর কথায়, মানুষের মধ্যে অনেক ভালো দিক থাকলেও অনেক সময় একটা বিষয়কেই ধরে নিয়ে সমালোচনা করতে থাকে অনবরত।

বর্তমানে সেই বিতর্ক প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছেছে বলেই মনে করেন অক্ষয়। তাঁর মতে, একটি পাসপোর্টকে ঘিরে এত আলোচনা হওয়া অপ্রয়োজনীয় ছিল।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More