মাত্র ২১ বছরেই প্রেমিকের সঙ্গে বাগদান সেরেছেন! গোলাপি ফ্রক পরা এই খুদেকে চিনতে পারলেন? বর্তমানে ইনি জনপ্রিয় অভিনেত্রী
কানে ছোট্ট লাল দুল, মাথায় বাঁধা ঝুটি, মুখে লেগে মিষ্টি হাসি। গোলাপি রঙের ফ্রক পরা এই খুদেকে চিনতে পারলেন? বর্তমানে কিন্তু ইনি ছোট পর্দার একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী।
কানে ছোট্ট লাল দুল, মাথায় বাঁধা ঝুটি, মুখে লেগে মিষ্টি হাসি। গোলাপি রঙের ফ্রক পরা এই খুদেকে চিনতে পারলেন? বর্তমানে কিন্তু ইনি ছোট পর্দার একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী। তবে শুধু এটুকু বললে অনেক কম বলা হবে। আসলে নায়িকার বিচরণ বিনোদনের নানা ক্ষেত্রেই। তিনি কেবল মেগায় আটকে নেই। বড় পর্দা তো বটেই পাশাপাশি ঋত্বিক চক্রবর্তীর সঙ্গে সিরিজেও নজর কেড়েছেন। শুধু কী তাই কনটেন্ট ক্রিয়েটার হিসেবে স্যোশাল মিডিয়াতেও সমান তালে কাজ করছেন।

আরও পড়ুন: ‘মানুষ তাঁর মনুষ্যত্ব হারিয়েছে…', কোন ঘটনায় সরব হয়ে এমন লিখলেন মিমি?
তবে কেবল কাজ নয়, নায়িকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও চর্চায় শেষ নেই। চলতি বছরের শুরুর দিকেই নিজের মনের মানুষের সঙ্গে বাগদান সেরেছেন তিনি। আইনি বিয়েও হয়ে গিয়েছে মাত্র ২১ বছর বয়সে। আগামী বছর বিয়ের পিঁড়িতেও নায়িকা বসবেন। তবে কেবল তিনি একা নন তাঁর দিদিও কিন্তু বিনোদন জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি আবার এখন সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ছবির নায়িকাও।
কি অনুমান করতে পারলেন কে এই খুদে? আর দিদি বা কে? বেশ বেশ আর ভাবতে হবে। ছবিতে থাকা এই খুদে হলেন অনন্যা গুহ। আর তাঁর দিদি অলোকানন্দা গুহ সম্প্রতি সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ছবিতে কাজ করেছেন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায়।
আরও পড়ুন: বোনের গায়ে হলুদে উদ্দাম নাচ কার্তিকের! নজর কেড়েছে নায়কের ট্যাটুও, জানেন কী লেখা আছে?
বুধবার নায়িকা অনন্যা তাঁর ছোটবেলার বেশ কিছু ছবি তাঁর অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। সেখানে প্রথম ছবিতে নায়িকাকে তাঁর মায়ের সঙ্গে দেখা যায়। দেখা যায় লাল-সাদা রঙের সালোয়ার কামিজ আর লাল ওড়না পরে চেয়ারে বসে তাঁর মা আর তাঁর কোলে ছোট্ট অনন্যা নীল রঙের টপ ও জিন্স পরে বসে। তাছাড়া বাবা কোলে চড়েও একটি ছবি ভাগ করে নেন। মোট চারটি ছবি শেয়ার করে নায়িকা। ছবিগুলি অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়ে ক্যাপশনে লেখেন, ‘দেখে ভীষণ দুষ্টু মনে হলেও আমি কিন্তু ভীষণ মিষ্টি ছিলাম।’
নায়িকার এই ছেলেবেলার ছবি দেখে অনুরাগীরা ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। একজন লেখেন, ‘তা ঠিকই বলেছো, এখনও দেখে তাই মনে হয়।’ আর একজন লেখেন, ‘সে তো এখন দেখলেই বোঝা যাচ্ছে।’ আর একজন লেখেন, ‘ছিলে নয় ... তুমি এখনও কিউটের ডিব্বা।’ আর একজন লেখেন, ‘একদম একই দেখতে এখনও তুমি।’












