মুখ খুললেন অরিজিতের বাবা! কেন আচমকাই প্লে ব্যাক ছাড়ার সিদ্ধান্ত ছেলের? করলেন বড় মন্তব্য

প্লে ব্যাক থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত যখন জানান অরিজিৎ, নড়ে গিয়েছিল আট থেকে আশি, সাধারণ মানুষ থেকে তারকারা। এবার ছেলের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন অরিজিতের বাবা?

Mar 4, 2026, 13:41:19 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

শুধু বাঙালি নয়, গোটা দেশের সংগীতপ্রেমী মানুষের কাছে আবেগের আরেক নাম অরিজিৎ সিং। জিয়াগঞ্জের ভূমিপুত্রকে ভরে ভরে ভালোবাসা দিয়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে তারকারা। তাই তো, গত মাসে যখন অরিজিৎ আর প্লে ব্যাক করবেন না বলে ঘোষণা করেছিলেন, হতবাক হয়েছিল সকলে। নানা মুনির নানা মত। অরিজিৎ নিজে জানিয়েছেন, তাঁর একঘেয়ে লাগছিল। একটু অন্য ধারার গান নিয়ে কাজ করতে চান। সঙ্গে নতুনদেরও সুযোগ করে দিতে চান। তাই এহেন সিদ্ধান্ত। এবার ছেলের প্লেব্যাক থেকে সরে আসার সিদ্ধান্তে মুখ খুললেন গায়কের বাবা।

অরিজিৎ সিং-এর বাবা কক্কর সিং।
অরিজিৎ সিং-এর বাবা কক্কর সিং।

কী বললেন অরিজিতের বাবা?

তার বাবা কক্কর সিং-এর মতে, অরিজিৎ মুম্বইয়ের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেননি। তাই ফিরে আসার সিদ্ধান্ত। কারণ? তাঁর শহর জিয়াগঞ্জের শান্তি। নিজের বাড়ির স্বাচ্ছন্দ্য। বরাবরই মুম্বইয়ের পার্টি বা অ্যাওয়ার্ড শো-র ঝাঁ চকচকে দুনিয়া থেকে নিজেকে সরিয়েই রাখতে পছন্দ করতেন। এমনকী, কোনো আফটার পার্টিতেও থাকতেন না। সবার অলক্ষ্যে কখন যেন স্থান ত্যাগ করতেন। বহু তারকা এমনটা দাবি করেছেন। এমনকী, এতটা চুপচাপ সরে পড়তেন যে, কখনো কখনো নিজের গাড়ি আসার জন্যও অপেক্ষা করতেন না। অটো করেই ফিরে যেতেন মুম্বইয়ের ফ্ল্যাটে।

আরও পড়ুন: ‘এমন একটা অবস্থা তৈরি হল…’! পিছিয়ে গেল টক্সিক মুক্তি, ধুরন্ধরের ভয়ে? খোলসা যশের

অরিজিতের ‘রয়না’

প্লে ব্যাক থেকে অবসর নিলেও, হাতে থাকা কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। চলতি বছর বা তার পরের বছরও কয়েকটি সিনেমায় থাকছে অরিজিতের গান। ইতিমধ্যেই অবশ্য নতুন ছন্দে ফিরেছেন গায়ক। প্লে ব্যাক থেকে অবসর ঘোষণার মাস কাটতেই মুক্তি পেয়েছে গায়কের প্রথম ইন্ডিপেনডেন্ট সং ‘রয়না’।

আরও পড়ুন: হিন্দু মেয়েদের জোর করে মুসলিম বানানোর ‘সত্যি’ গল্প! দোলে জোয়ার এল দ্য কেরালা স্টোরি ২-র বক্স অফিসে, ৫ দিনের আয় কত?

আর রয়না মুক্তি পেতেই এটিকে মুক্তির পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসায় ভরান অরিজিৎ-ভক্তরা। একজন লেখেন, ‘গুরুদেব! এটাই তো চেয়েছিলাম আমরা’। অন্য আরেকটি কমেন্টে লেখা, ‘তুমি শুধু গান গাও, সে যে মাধ্যমই হোক না কেন! আমারা শুনবই।’ অন্যজন লেখেন, ‘মাই নিউ ফেভারিট। দুর্দান্ত হয়েছে।’ একটি কেমেন্ট, ‘সুপার ডুপার! কী গলা। সারাদিন শুনতে পারি আমি এই গান।’ লেখা হয়েছে, ‘ধীর, মিষ্টি এবং প্রাণবন্ত… জানি না কীভাবে ফুটিয়ে তুলব আমার মনের কথা।’