বন্ধ হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রীর গড়া স্ক্রিনিং কমিটি! এমন বেহাল দশার কারণ কী?

গত বছরের ১৫ অগস্ট বাংলা ছবির স্বার্থে পথে নেমেছিলেন সকলে। একই সঙ্গে বলিউড এবং দক্ষিণ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির তিনটি ছবি মুক্তি পেয়েছিল সেই সময়। দিল্লি ফাইলস, ওয়ার ২, কুলি এই তিনটি হেভিওয়েট ছবির মাঝখানে ধুমকেতুকে নিয়ে ভীষণ চিন্তায় ছিলেন ইন্ডাস্ট্রির সকলে।

Published on: Jan 12, 2026 9:43 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

গত বছরের ১৫ অগস্ট বাংলা ছবির স্বার্থে পথে নেমেছিলেন সকলে। একই সঙ্গে বলিউড এবং দক্ষিণ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির তিনটি ছবি মুক্তি পেয়েছিল সেই সময়। ‘দিল্লি ফাইলস’, ‘ওয়ার ২’, ‘কুলি’ এই তিনটি হেভিওয়েট ছবির মাঝখানে ‘ধুমকেতু’-কে নিয়ে ভীষণ চিন্তায় ছিলেন ইন্ডাস্ট্রির সকলে।

বন্ধ হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রীর গড়া স্ক্রিনিং কমিটি!
বন্ধ হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রীর গড়া স্ক্রিনিং কমিটি!

কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত ‘ধুমকেতু’ ছবির জন্য সেই সময় শুধু দেব একা নন, লড়াই করেছিলেন শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় থেকে শুরু করে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় সকলেই। মাঠে নেমেছিলেন নিসপাল সিং রানে, শ্রীকান্ত মেহতার মতো প্রযোজকরা। বাংলা ছবিকে প্রাইম টাইম দিতে হবে এই দাবি নিয়ে সকলে দ্বারস্থ হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে।

আরও পড়ুন: কুসুমের সিঁথিতে সিঁদুর দেখে ফেলে ইন্দ্রানী, তবে কি এবার আসল সত্যি হবে ফাঁস?

সকলের দাবি মেনে সেই সময়ের মুখ্যমন্ত্রী গড়ে দিয়েছিলেন একটি স্ক্রিনিং কমিটি, যার নেতৃত্বে ছিলেন মন্ত্রী স্বরূপ বিশ্বাস। সভাপতি ছিলেন পিয়া সেনগুপ্ত। এই কমিটির কাজ ছিল বাংলা ছবিকে প্রাইম ডেটে প্রাইম শো দেওয়া। এছাড়া উৎসবের দিনে বাংলা ছবির মুক্তির তারিখ নির্দিষ্ট করে রাখা।

কিন্তু বাংলা ছবির স্বার্থে মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপ নাকি এই কয়েক মাসের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যেতে চলেছে। খুব তাড়াতাড়ি নাকি বন্ধ হয়ে যেতে চলেছে এই স্ক্রিনিং কমিটি। নেপথ্যে কি কারণ তা নিয়ে কেউ তেমন কিছু না বললেও আনন্দবাজার ডট কমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেব বলেন, ‘কমিটির কাজ হল সবকিছু সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা কিন্তু কমিটি গঠন হওয়ার পর থেকে সকলের মধ্যে সমস্যা আরো বেশি বেড়ে গিয়েছে।’

আরও পড়ুন: দিন দুপুরে ‘কালিপটকা’ ফাটালেন স্বস্তিকা, ক্যাওড়া লুকে তাক লাগালেন অনির্বাণ

দেব বলেন, ‘আগে আমাদের মধ্যে ঝগড়া হতো সেটা মিটেও যেত কিন্তু এখন ঝগড়া হলেও সেটা মিটছে না। এটা তো হওয়ার কথা নয়। আমি হ্যাঁ না কোন কিছুতেই সমর্থন করছি না তাই আমি নোটায় ভোট দিয়েছি। আমি নিরপেক্ষ সদস্য। আমি শুধুই ইন্ডাস্ট্রির ভালো চাই আর কিছু নয়।’

সবশেষে অভিনেতা বলেন, ‘তবে আমার এটুকুই মনে হয়েছে সবাই আগের থেকে অনেক পাল্টে গিয়েছে। কমিটির কাজের মধ্যে কিছু খামতি থেকে যাচ্ছে। পরস্পরের প্রতি আস্থা নেই এখন। একে অপরের সঙ্গে কথা যত কম হচ্ছে তার থেকেও বেশি ছড়াচ্ছে কথা। তবে আমার বিশ্বাস আগামী দিনে সবকিছু মিটমাট হয়ে যাবে আর আমরা আবার একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করব।’