টলিপাড়ার অত্যন্ত পরিচিত মুখ ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় এবং বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শাশ্বতী গুহঠাকুরতা। তাঁদের পর্দার রসায়ন এতটাই গভীর যে অনেক দর্শকই তাঁদের বাস্তবেও মা-ছেলে বলে ভুল করেন। আস্থা,নানা রঙের দিনগুলি,মোহনার মতো জনপ্রিয় মেগায় মা-ছেলের ভূমিকায় দর্শক দেখেছে তাঁকে। কিন্তু আসল সত্যটি হলো, তাঁরা রক্ত সম্পর্কের আত্মীয়—শাশ্বতী হলেন ভাস্বরের পিসির মেয়ে, অর্থাৎ তাঁরা বাস্তবে পিসতুতো দিদি ও ভাই।
পর্দায় মা-ছেলে,বাস্তবেও শাশ্বতীর সঙ্গে রক্তের সম্পর্ক ভাস্বরের, জানেন সমীকরণ?
ভাস্বর নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টের মাধ্যমে স্মৃতির পাতা উল্টে জানিয়েছেন যে, তাঁদের অভিনয় জীবনের এক বিরাট অংশ জুড়ে তাঁরা একে অপরের 'মা-ছেলে' হয়েছেন। কিন্তু অনেকেই তাঁদের সম্পর্কের এই সত্যিটা জানেন না, যে তাঁরা কাজিন (তুতো ভাই-বোন)।
ভাস্বর লেখেন, ‘মজার কথা on screen সব সময় আমরা মা ছেলে হয়েছি। আস্থা,নানা রঙের দিনগুলি,মোহনা থেকে শুরু করে অনেক গুলোতে…নাম মনে পড়ছে না’। অভিনেতা বলেন,'রানিদি আমার থেকে অনেকটাই বড়। ধারাবাহিকে আমরা মা-ছেলের চরিত্রেই অভিনয় করেছি। সেটা নিয়ে আমরা মজাও করি। দিদি আমার থেকে খোঁজখবরও নেন আমার বাবার।' শাশ্বতীর মেয়ে ভাস্বরের চেয়ে একমাসের বড়। সুতরাং তাঁদের বয়সের ফারাক রয়েছে। তাই পর্দায় মা-ছেলে হতে কোনওদিন অসুবিধা হয়নি। তবে বাস্তবে দিদি-ভাইয়ের বন্ধুত্বটা কিন্তু খুবই সুন্দর।
গীতা এলএলবি-র পর ব্লুজের নতুন মেগা ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’ ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাচ্ছে ভাস্বরকে। অভিনেতা নিজে লেখালেখিও করেন। কাশ্মীরের প্রতি তাঁর অমোঘ প্রেম। ইতিহাসও তাঁর বড্ড প্রিয়। মহারানী দিদ্দা, রাজেস্বরী কোটা সম্রাট ললিতাদিত্য পাঠকমহলে প্রশংসিতও হয়েছে। ‘অ্যাডভোকেট অঞ্জলি অবস্তি’র মতো হিন্দি মেগাতেও দেখা মিলেছে ভাস্বরের। বছর খানেক আগে তাঁর ব্য়ক্তিগত জীবনে বয়ে গিয়েছে ঝড়। নবমিতার সঙ্গে দ্বিতীয় বিয়েও ভেঙেছে। তবে আপতত নিজের মতো করে জীবনটা গুছিয়ে নিয়েছেন ভাস্বর।
News/Entertainment/Bhaswar-Shaswati: পর্দায় মা-ছেলে,বাস্তবেও শাশ্বতীর সঙ্গে রক্তের সম্পর্ক ভাস্বরের, জানেন সেই সমীকরণ?