বরুণ ধাওয়ানকে যারা ট্রোল করছে, তারা দেশদ্রোহী, দাবি নিধি দত্তর
ট্রোলারদের সরাসরি 'দেশদ্রোহী' বলে তোপ দেগেছেন নিধি। তাঁর দাবি, বরুণের বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত 'পেইড স্মিয়ার ক্যাম্পেইন' চালানো হচ্ছে।
'বর্ডার ২' (Border 2) নিয়ে সরগরম বলিউড। তবে ছবি মুক্তির আগেই শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ছবিতে অভিনেতা বরুণ ধাওয়ানের কাস্টিং নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রোলিং শুরু হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ছবির প্রযোজক নিধি দত্ত। ট্রোলারদের সরাসরি 'দেশদ্রোহী' বলে তোপ দেগেছেন তিনি। তাঁর দাবি, বরুণের বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত 'পেইড স্মিয়ার ক্যাম্পেইন' চালানো হচ্ছে।

জে পি দত্তের কালজয়ী ছবি 'বর্ডার'-এর সিক্যুয়েল নিয়ে প্রযোজক নিধি দত্তর এই কড়া অবস্থান সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
'বরুণ ধাওয়ানকে যাঁরা ট্রোল করছেন তাঁরা দেশদ্রোহী'— 'বর্ডার ২' প্রযোজক নিধি দত্তর বিস্ফোরক মন্তব্য
১৯৯৭ সালের কালজয়ী যুদ্ধভিত্তিক ছবি 'বর্ডার'-এর স্মৃতি এখনও ভারতবাসীর মনে টাটকা। দীর্ঘ দুই দশক পর সেই ছবির সিক্যুয়েল 'বর্ডার ২' নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। ছবিতে সানি দেওলের পাশাপাশি অন্যতম প্রধান চরিত্রে রয়েছেন বরুণ ধাওয়ান। কিন্তু বরুণের অন্তর্ভুক্তি অনেক নেটনাগরিকই সহজভাবে নিতে পারেননি। সোশ্যালে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। আর তাতেই মেজাজ হারালেন নিধি দত্ত।
'পেইড ক্যাম্পেইন' ও 'দেশদ্রোহী' তকমা
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিধি দত্ত মনে করেন বরুণ ধাওয়ানের বিরুদ্ধে এই ট্রোলিং স্বাভাবিক নয়। তিনি দাবি করেছেন, এটি একটি ভাড়ায় চালিত নেতিবাচক প্রচার বা 'পেইড স্মিয়ার ক্যাম্পেইন'। নিধি সরাসরি বলেন, "যাঁরা এই ছবির বিরুদ্ধে বা বরুণের কাস্টিং নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করছেন, তাঁরা আসলে দেশবিরোধী বা অ্যান্টি-ন্যাশনাল।"
তাঁর যুক্তি, 'বর্ডার ২' কেবল একটি বাণিজ্যিক সিনেমা নয়, এটি ভারতীয় সেনার বীরত্বের প্রতি এক শ্রদ্ধাঞ্জলি। তাই এই ছবি বা এর অভিনেতাদের ছোট করা মানে পরোক্ষভাবে দেশের গৌরবকে অসম্মান করা।
বরুণ ধাওয়ানের পাশে টিম 'বর্ডার ২'
নিধি দত্ত জানান, বরুণ এই চরিত্রের জন্য জানপ্রাণ লড়িয়ে দিচ্ছেন। তাঁর মতে, একজন দক্ষ অভিনেতাকে শুধুমাত্র তাঁর অতীত কাজের ভিত্তিতে বিচার করা ভুল। ছবিতে বরুণের উপস্থিতি নতুন মাত্রা যোগ করবে বলেও তিনি আশাবাদী। নিধি আরও যোগ করেন যে, "যাঁরা আজ সমালোচনা করছেন, ছবি মুক্তির পর তাঁরাই আবার প্রশংসা করবেন।"
'বর্ডার ২' নিয়ে প্রত্যাশা
সানি দেওল, বরুণ ধাওয়ান এবং দিলজিৎ দোসাঞ্জের মতো তারকাখচিত এই ছবি আগামী বছরের সবথেকে বড় প্রজেক্ট হতে চলেছে। নিধি দত্ত স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, কোনো নেতিবাচক প্রচার বা ট্রোলিং ছবির কাজ থামাতে পারবে না।
সোশ্যাল মিডিয়া ট্রোলিং বর্তমানে বলিউডের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে একজন প্রযোজকের পক্ষ থেকে ট্রোলারদের সরাসরি 'দেশদ্রোহী' বলা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। দেশপ্রেম এবং সিনেমা—এই দুই আবেগের মাঝে বরুণ ধাওয়ানের কাস্টিং শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হয়, সেটাই এখন দেখার।












