দর্শকদের বহু দিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আর্য ও অপর্ণার বিয়ে দেখানো হয় সম্প্রতি। কিন্তু এরপর থেকেই আর্য আর অপর্ণার মাঝে অতীতের কালো ছায়ার মতো ভেসে আসে রাজনন্দিনী। আর এর মাঝেই সামনে এল মেগার নতুন প্রোমো।
একটা সময় 'চিরদিনই তুমি যে আমার' ধারাবাহিক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। এর কারণ অবশ্য ধারাবাহিকের গল্প নয় বরং নায়ক জীতু কমলের সঙ্গে, ধারাবাহিকের প্রথম নায়িকা দিতিপ্রিয়া রায়ের ঝামেলা। তারপর দিতিপ্রিয়া ধারাবাহিক ছেড়ে দেন, সেই জায়গায় আসেন শিরিন পাল। আর তারপরই দর্শকদের বহু দিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আর্য ও অপর্ণার বিয়ে দেখানো হয়।
কিন্তু এরপর থেকেই আর্য আর অপর্ণার মাঝে অতীতের কালো ছায়ার মতো ভেসে আসে রাজনন্দিনী। কখনও আর্যর সঙ্গে সাত পাকে ঘোরার সময় অপর্ণার চোখে ভেসে আসে রাজনন্দিনীর বিয়ে দৃশ্য, আবার কখনও রাজনন্দিনীর ভাইয়ের সঙ্গে তার মতো করেই মিশতে শুরু করে অপর্ণা। এমনকী রাজনন্দিনীর বন্ধুও এসে অপর্ণার মধ্যে রাজনন্দিনীর ছায়া দেখতে পায়। রাজনন্দিনীর হাতে স্পেশাল রান্না বেকড ফিশের রেসিপি না জানার সত্ত্বেও অনায়াসে তা অতিথিদের জন্য বানিয়ে দেয় অপর্ণা। আর এই সবটা নিয়ে আর্য থেকে শুরু করে রাজনন্দিনীর মা সকলের মনেই রাজনন্দিনীর কালো স্মৃতি ফিরে ফিরে আসতে থাকে। আর এর মাঝেই সামনে এল মেগার নতুন প্রোমো।
নতুন প্রোমোয় দেখা যায় আর্যকে অপহরণ করে তাঁকে রিমোটের সাহায্যে কারেন্টের শক দেওয়া হচ্ছে। স্বামীকে বাঁচাতে সে রড দিয়ে আঘাত করে অপহরণকারীর মাথায়। তারপর অপর্ণা বলে, ‘আমাদের পালিয়ে যেতে হবে স্যার।’ তখন সেই অপহরণকারী অপর্ণাকে জানায়, 'কার সঙ্গে তুমি পালিয়ে যাবে অপর্ণা? ও একজন খুনি! ও রাজনন্দিনীকে খুন করেছে।' আর এই কথা শুনে স্বাভাবিক ভাবেই প্রচন্ড ভেঙে পড়ে অপর্ণা। কিন্তু এরপর কী হবে? সেই উত্তর অবশ্য লুকিয়ে রয়েছে মেগাতে।
ধারাবাহিকের এই প্রোমো প্রকাশ্যে আসতে অনেকেই যেমন ভালোবাসায় ভরে দিয়েছেন। তেমন কিছু কিছু জীতু-ভক্ত তাকে খলনায়ক হিসেবে যাতে না তুলে ধরা হয় সেই দাবি জানিয়েছেন। একজন লেখেন, ‘দয়া করে আর্যকে ভিলেন বানাবেন না।’ আর একজন লেখেন, 'রিমেক জানি, কিন্তু হুবহু এক করতে হবে? একটু কি বদল করা যেত না? সবার প্রিয় আর্যকে ভিলেন হিসেবে দেখাটা অসম্ভব।