বাউন্সার নিয়ে যেতে হবে বাথরুম, নেই খাবার জলও! চরম বিতর্কে অনন্যা-সুকান্তর বিয়ে
৯ মার্চ সাত পাকে বাঁধা পড়েন অনন্যা গুহ ও সুকা্ত কুণ্ডু। তবে সেই বিয়ে নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। মিডিয়া কর্মীদের সঙ্গে চরম খারাপ ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি একাধিকের। সব নিয়ে নেটপাড়ায় ফের ট্রোলে তাঁরা।
গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে বাগদান সেরে ফেলেছিলেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী অনন্য়া গুহ আর ইনফ্লুয়েন্সার সুকান্ত কুণ্ডু। আর ৯ মার্চ অর্থাৎ সোমবার সাত পাকে বাঁধা পড়েন। তবে আপাতত এই বিয়ে নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। কারণ, তাঁদের বিয়ে কভার করতে আসা পাপারাজ্জিদের সঙ্গে অনন্যা ও সুকান্তর তরফে বিরূপ আচরণ।

এমনিতেই বিতর্কে বরাবর জড়িয়েছেন অনন্যা। নিন্দুকদের দাবি, সিরিয়ালে সাইড রোল করা এই অভিনেত্রী নাকি একটু বেশিই অহংকারী। সে যাই হোক, খবর পিআরটিমের মাধ্যমে মিডিয়াকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন তাঁরাই। শর্ত ছিল, আগে অনন্যা ও সুকান্তর সোশ্যাল মিডিয়া পেজ থেকে বিয়ের লুক রিভিল করা হবে, তারপর অনন্যা মিডিয়া হাউজগুলি তা করতে পারবে। আর এই শর্তে রাজিও ছিল সকলে। কিন্তু বিপত্তি বাধে যখন, অভিনেত্রীর বাউন্সাররা অভব্য আচরণ করতে থাকে।
এমনকী, পাপারাৎজিদের যারা হাজির হয়েছিলেন বিয়ের অনুষ্ঠান কভার করতে, শৌচালয়ে যেতে গেলেও তাঁদের বাউন্সার নিয়ে যেতে হচ্ছিল। এমনকী, মহিলাদের সঙ্গেও দেওয়া হচ্ছিল পুরুষ বাউন্সার। যাতে বাথরুম থেকেও কেউ লুকিয়ে ছবি-ভিডিয়ো না নিতে পারে। রাস্তায় ঠাঁই পাওয়া মিডিয়া কর্মীরা কেউ খাবার তো দূরের কথা, চাইলে জলও পায়নি। আর সব মিলিয়ে এই দুই তারকার বিয়ে ঘিরে বিতর্ক চরমে।
কদিন আগেই গো-মাংস নিয়ে শহরের এক রেস্তোরাঁয় গিয়ে তুলকালাম করেছিলেন অনন্যা-সুকান্ত আর তাঁদের প্রিয় বন্ধু সায়ক। পরে অবশ্য, অনন্যা আর সুকান্তর পক্ষ থেকে কার্যত সব দোষ চাপিয়ে দেওয়া হয় সায়কের ঘাড়ে। এমনকী, নেটপাড়ার ধারণা ছিল বুঝি বা বন্ধু-বিচ্ছেদ হয়েছে এই ঘটনার পর! যা নিয়েও বেশ কিছুদিন খবরে-বিতর্কে-আলোচনায় ছিলেন তাঁরা। তবে দেখা যায়, বিয়ের ঠিক আগে দিয়েই ফের একসঙ্গে ভ্লগে দেখা দেন তিনজন। এবার সুকান্ত-অনন্যার বিয়েতে হওয়া এই মিডিয়া হেনস্থার খবর সামনে আসতেই, নেটপাড়ায় প্রশ্ন উঠছে, ‘এতটা পাত্তা পাওয়ার যোগ্য কি এরা আদৌ?’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper











