‘স্বরূপ বিশ্বাসের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দরকার নেই, যথেষ্ট আয়…’, সরাসরি খোঁচা দেবের
খবর, গিল্ড-এর সদস্যদের ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস নিজে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ কার্ডে নাম নথিভুক্তকরণ প্রকল্পে যোগ না-দেওয়ার কথা বলেছেন। শুধু তাই নয়, হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন কাজ হারানোর। মুখ খুলেছেন দেবও?
বিধানসভা নির্বাচনের আগে গোটা রাজ্য যখন টিএমসি, বিজেপি, সিপিএমে ভাগ হয়েছে, তখন টলিউড বিভক্ত দেব বনাম স্বরূপ বিশ্বাসে। বেশ সেয়ানে সেয়ানে টক্কর চলছে। টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োয় ‘স্বাস্থ্যসাথী’ কার্ড বানানোর উদ্যোগ নিয়েছে দেব। শনিবার ছিল যার নাম নথিভুক্তকরণ। এদিকে খবর, গিল্ড-এর সদস্যদের ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস নিজে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ কার্ডে নাম নথিভুক্তকরণ প্রকল্পে যোগ না-দেওয়ার কথা বলেছেন। শুধু তাই নয়, হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন কাজ হারানোর।

আর স্বরূপের এহেন কাজে বেশ বিরক্ত দেব। তিনিও কোনো রাখঢাক না করেই স্বরূপ বিশ্বাসের নামে খুলেছেন মুখ। বলেন, ‘এসি রুমে বসে আমি কত বড় দাদা আর আমি কী দাদাগিরি করতে পারি, সেটা থেকে বেরিয়ে এসে টেকনিশিয়ানদের জন্য ভাবা দরকার। আমার মনে হয় এতে টেকনিশিয়ানরা আরও বেশি আশীর্বাদ করবে।’
দেব আরও বলেন, ‘স্বরূপদা এটা বলছে স্বাস্থ্যসাথীটা নাকি খুব ভালো নয়, এবং মুখ্যমন্ত্রী যে উদ্যোগ নিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী পাঠিয়েছে, সেখানে বলেছে, সেটাকে চ্যালেঞ্জ করছে। অরূপ বিশ্বাসের স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের প্রয়োজন নেই। তাঁর যথেষ্ট আয় আছে। কিন্তু টেকনিশিয়ানদের এটা দরকার। সাপোর্টার হওয়া ভালো, অন্ধ সাপোর্টার হলে মুশকিল।’
‘ফেডারেশনে মেইল পাঠিয়েছি, এরকম এরকম উদ্যোগ হচ্ছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে করেছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে! আগের স্বাস্থ্যবিমাও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করেছিলেন। ‘স্বাস্থ্যসাথী’ও তিনিই করেছেন। স্বরূপদার দাদা অরূপ বিশ্বাস রাজ্য সরকারের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী। স্বরূপদা নিজেও সরকারের সঙ্গে যুক্ত। তার পরেও কী করে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর নিন্দা করছেন? খারাপ বলছেন স্বাস্থ্যসাথীকে?’
‘আগের স্বাস্থ্যবিমাও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করেছিলেন। ‘স্বাস্থ্যসাথী’ও তিনিই করেছেন। স্বরূপদার দাদা অরূপ বিশ্বাস রাজ্য সরকারের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী। স্বরূপদা নিজেও সরকারের সঙ্গে যুক্ত। তার পরেও কী করে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর নিন্দা করছেন? ‘স্বাস্থ্যসাথী’কে খারাপ বলছেন?
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper











