Prosenjit-Jisshu: পলিটিক্স করে তাঁকে হিরো হতে দেননি প্রসেনজিৎ? প্রশ্ন শুনে কী জবাব দেন যিশু

তিনি ইন্ডাস্ট্রির জেষ্ঠপুত্র, তবে তাঁর বিরুদ্ধে টলিউডে রাজনীতি করার অভিযোগ এনেছেন শ্রীলেখা মিত্র, অভিষেক চট্টোপাধ্য়ায়রা। সত্যি কি বুম্বাদা এমন কিছু করেছেন যিশুর সঙ্গে? 

Published on: Dec 08, 2025 12:00 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বলা হয় তিনিই ইন্ডাস্ট্রি। যদিও নিজেকে বরাবর টলিউডের অভিভাবক বলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্য়ায়। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছেন বুম্বাদা। ইন্ডাস্ট্রির অন্দর থেকে মাঝেমধ্যেই ইতিউতি ফিসফিসানি শোনা যায়, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় নাকি পলিটিক্স করে অনেক নায়কের কেরিয়ার শেষ করার চেষ্টা করেছেন। সেই তালিকায় একদম উপরের দিকে রয়েছেন যিশু সেনগুপ্ত। বুম্বাদা নাকি যিশুকে নিজের ভাই বানিয়েই রেখেছিলেন, হিরো হতে দেননি। এই অভিযোগ বহুদিনের। কিন্তু সত্যি কি তাই? একবার এই প্রশ্নের খোলাখুলি জবাব দিয়েছিলেন যিশু নিজে।

পলিটিক্স করে তাঁকে হিরো হতে দেননি প্রসেনজিৎ? প্রশ্ন শুনে কী জবাব দেন যিশু
পলিটিক্স করে তাঁকে হিরো হতে দেননি প্রসেনজিৎ? প্রশ্ন শুনে কী জবাব দেন যিশু

বনির টক শো-তে এসে যিশু বলেছিলেন, ‘যারা অ্যান্টি বুম্বাদা তাঁরা অনেক বলেছে বুম্বাদা তোকে ভাই করে রেখে দিয়েছে। তোকে হিরো হিসাবে উঠতে দেয়নি। বুম্বাদা আমার কাছে বড় দাদার মতো। উনি আমার জীবনের এমন একজন মানুষ, যিনি ছবির কাজের বাইরেও সারাক্ষণ আমার পাশে থেকেছেন। নিন্দকদের আমি সবসময় একটাই কথা বলেছি, বুম্বাদা আমার কপালে কোনওদিন বন্দুক ঠেকিয়ে বলেনি, এই কাজটা তোকে করতে হবে। আজ অবধি কোনওদিন বুম্বাদা ষড়যন্ত্র করে আমার কেরিয়ার নষ্ট করবার চেষ্টা করেননি। বরং আমাকে সবসময় গাইড করেছেন’।

এখানেই শেষ নয়, এই শো'তেই যিশু জানান একবার তাঁর দুটো ছবির শ্যুটিংয়ের ডেট ক্ল্য়াশ করে গিয়েছিল একদম অযাচিত কারণে। পরপর ডেটে কলকাতা ও মহীশূরে শ্যুটিং শেডিউল করেছিলেন যিশু। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত হরনাথ চক্রবর্তীর ছবির শ্যুটিংয়ের দিন কলকাতায় একদিন বেড়ে যায়, অন্যদিকে পরদিন সকালেই মহীশূরে অনুপ সেনগুপ্তর ছবির শ্যুটিংয়ে পৌঁছাতে হবে যিশুকে। মহাফ্যাঁসাদে নায়ক, তাঁর কথা শুনতে রাজি নন দুই পরিচালকই। একদিনে কলকাতা ও মাহীশূরে শ্যুটিং সেটে হাজির থাকতে হবে তাঁকে। সিনিয়র ডিরেক্টরদের কাছ থেকে খানিক বকাঝকা শুনে প্রায় কাঁদোকাঁদো অবস্থা যিশুর। মহীশূরে আবার মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে শ্যুটিং সারতে হবে! উপায় কী? যিশু বললেন, ‘আমি তো শেষ…. কাঁদতে কাঁদতে সোজা বুম্বাদার পায়ে, এখনও মনে আছে ইন্দ্রপুরী স্টুডিওতে ফ্লোরের গেটটার কাছে বুম্বাদা বসেছিল। (কাঁদো কাঁদো গলায়) বুম্বাদা আমার কেরিয়ার শেষ। কিচ্ছু হবে না। এরপর দাদা বলল কী হয়েছে? আমি সবটা বলায় বলল, তুই এমনভাবে ডেট দিস কেন? তারপর অনুপদাকে নিজে ফোন করল। বলল, কাল সকালে ফার্স্ট হাফে এখানে শ্যুটিং করবে। আর সন্ধ্যার মধ্য়ে তোর ওখানে পৌঁছে যাবে। পরশু সকালে ওখানে শ্যুটিং করবে। যাই হোক বুম্বাদার কথা শুনে অনুপদা রাজি হন’।

গোটা ঘটনা বনির খুব ভালোভাবেই জানা, তিনি নিজে অনুপ সেনগুপ্ত পুত্র। তবুও হাসি থামেনি তাঁর। অন্যদিকে যিশু বলেন, ‘পরদিন হোটেলে তো আমি ভয়ে ভয়ে ঢুকছি। অনুপদা আমাকে দেখেই প্রথম প্রশ্ন, তুই কাঁদছিলি কেন বুম্বাদার সামনে? আমি আর কী বলব… বললাম আমি তো ভাবলাম আমার কেরিয়ার শেষ, ইন্ডাস্ট্রি থেকে বেরিয়ে যেতে হবে’।