২০২৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন অহনা দত্ত এবং দীপঙ্কর দে। তবে বিয়ের কথা তাঁরা প্রকাশ্যে আনেন চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে। মায়ের অমতে বিয়ে করার জন্য এই মুহূর্তে মায়ের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই পর্দার মিশকার। যদিও শ্বশুরবাড়িতে স্বামী সন্তানকে নিয়ে বেশ সুখেই রয়েছেন তিনি।
২০২৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন অহনা দত্ত এবং দীপঙ্কর দে। তবে বিয়ের কথা তাঁরা প্রকাশ্যে আনেন চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে। মায়ের অমতে বিয়ে করার জন্য এই মুহূর্তে মায়ের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই পর্দার ‘মিশকা’র। যদিও শ্বশুরবাড়িতে স্বামী সন্তানকে নিয়ে বেশ সুখেই রয়েছেন তিনি।
বিবাহবার্ষিকীতে অহনাকে জড়িয়ে ছবি পোস্ট দীপঙ্করের
কিছুদিন আগেই একমাত্র মেয়ে মীরাকে সর্বসমক্ষে আনেন অভিনেত্রী। সারাদিন এখন মেয়ের সঙ্গেই সময় কেটে যায় তাঁর। তবে ‘অনুরাগের ছোঁয়া’ ধারাবাহিকের পর আবার তিনি ধীরে ধীরে ফিরছেন নিজের কাজে। জি বাংলায় ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’ ধারাবাহিককে অভিনয় করতে দেখা যাবে অভিনেত্রীকে।
বিয়ের পর থেকে বা সম্পর্কে থাকার প্রথম দিন থেকেই প্রতিপদে অহনার পাশে থেকেছেন দীপঙ্কর। এই মানুষটার হাত ধরেই একটা সময় নিজের নতুন জীবন শুরু করেছিলেন অভিনেত্রী, সেই সিদ্ধান্ত যে একেবারেই ভুল ছিল না তা বারবার প্রমাণ হয়ে যায় অভিনেত্রীর জীবন যাপন দেখে। তাই বিবাহ বার্ষিকীর দিন স্বামীকে জড়িয়ে ধরে অহনা লেখেন, ‘এমন একটা মানুষ যে কখনও আমাকে নিরাশ করেনি।’
অন্যদিকে দীপঙ্কর নিজেকে বাঁদর এবং অহনাকে মুক্তো থুড়ি হীরে বলেন। অহনার সঙ্গে একটি মিরর সেলফি পোস্ট করে দীপঙ্কর লেখেন, ‘প্রথমত আমার থেকে তোমার ফোনে ছবি ভালো ওঠে বলে আমার কাছে খুব ভালো ছবি নেই তাই এই ছবি দিয়েই কাজ চালিয়ে নিতে হবে। এবার যেটা বলা দরকার সেটা হচ্ছে অনেকেই তোমাকে আমাকে দেখে ভাবে বাঁদরের গলায় মুক্তোর মালা।’
অহনার স্বামী আরও লেখেন, ‘আমি বাঁদর আর তুমি মুক্তোর মালা এই কথাটা আমি ঘোর বিরোধিতা করি। আমার মনে হয় শব্দ টা ঠিক আছে শুধু মুক্তোর পরিবর্তে হীরে হবে কারণ তুমি আমার কাছে হীরে। শুভ বিবাহ বার্ষিকী মাম্মা।’
প্রসঙ্গত, দীপঙ্কর শুধুমাত্র একটি ছবি পোস্ট করলেও অহনা কিন্তু নিজের বৈবাহিক জীবনের বিভিন্ন মুহূর্ত তুলে ধরেছেন বিবাহ বার্ষিকীর পোষ্টের মাধ্যমে। এমনকি গর্ভাবস্থায় তোলা ছবিও তিনি পোস্ট করেছেন এই কোলাজের মধ্যে।